রমজানের শেষ দিনগুলো যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছে। এটি এমন এক মাস যা আমাদের নতুন জীবনের সুসংবাদ দেয়, জীবনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সাফল্যের নতুন পথ খুলে দেয়। যে মাসে একটি নফল ইবাদত ফরজের সমান সওয়াব বয়ে আনে এবং একটি ফরজ আদায় করলে ৭০টি ফরজের মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই বরকতময় মাস এখন শেষলগ্নে।

রমজানের শেষ দশ দিন মূলত দোজখ থেকে মুক্তির সময়। এই দিনগুলোতে আল্লাহর বান্দাদের ওপর অঝোর ধারায় রহমত বর্ষিত হয়। এই দশকেই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই সময়ে মুমিন মুসলমানরা ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করানোর প্রচেষ্টায় মশগুল থাকেন।

যারা এই মাসে ইবাদত করার সুযোগ পেয়েছেন এবং রোজার মাধ্যমে কোরআনকে নিজেদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে তৈরি করতে পেরেছেন, তারা সত্যিই ভাগ্যবান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সমাজের একটি অংশ রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে কেনাকাটা এবং শপিং সেন্টারে সময় নষ্ট করছেন। অনেকে নফল তো দূরের কথা, ফরজ ইবাদতও ভুলে যান। মনে হয় যেন রমজান ইবাদতের মাস নয়, বরং কেনাকাটার মৌসুমে পরিণত হয়েছে।

হজরত আব্দুল কাদের জিলানি (র.) তার গুনিয়াতুত তালিবিন কিতাবে বলেছেন, রমজান মাস হলো অন্তর পরিষ্কার করার মাস। যদি এই মাসটি আপনার হৃদয়ে পরিবর্তন আনতে না পারে বা আপনাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে সরিয়ে আনতে না পারে, তবে আর কোন জিনিস আপনার ওপর প্রভাব ফেলবে? সুতরাং অবহেলা ছেড়ে রমজানের এই শেষ দিনগুলো তওবা ও কান্নাকাটির মাধ্যমে অতিবাহিত করা উচিত।

রমজানের এই বিদায়বেলায় আমাদের নিজেদের হিসাব মেলাতে হবে। এই মাসে আমরা কী অর্জন করলাম আর কী হারালাম? আল্লাহর সন্তুষ্টি কি আমরা লাভ করতে পেরেছি? রমজান এসেছিল আমাদের গুনাহগুলোকে নেকিতে বদলে দিতে, ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করাতে এবং আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে পরিশুদ্ধ করতে। যদি আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারি, তবে আমরা বড় ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলাম।

আজকের এই পবিত্র দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের এই অঙ্গীকার করা উচিত যে, জীবনের বাকি সময়টা আমরা রমজানের শিক্ষা বা তাকওয়া অনুযায়ী পরিচালনা করব। আল্লাহর বিধান মেনে চলব এবং তার অবাধ্যতা থেকে নিজেকে রক্ষা করব। সেই সঙ্গে আমরা পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তির জন্য প্রাণভরে দোয়া করব। আল্লাহ আমাদের তওবা কবুল করুন এবং আগামী বছর আবারও সুস্থতার সঙ্গে রমজান নসিব করুন। আমিন।

পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছে। এটি এমন এক মাস যা আমাদের নতুন জীবনের সুসংবাদ দেয়, জীবনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সাফল্যের নতুন পথ খুলে দেয়। যে মাসে একটি নফল ইবাদত ফরজের সমান সওয়াব বয়ে আনে এবং একটি ফরজ আদায় করলে ৭০টি ফরজের মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই বরকতময় মাস এখন শেষলগ্নে। রমজানের শেষ দশ দিন মূলত দোজখ থেকে মুক্তির সময়। এই দিনগুলোতে আল্লাহর বান্দাদের ওপর অঝোর ধারায় রহমত বর্ষিত হয়। এই দশকেই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই সময়ে মুমিন মুসলমানরা ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করানোর প্রচেষ্টায় মশগুল থাকেন। যারা এই মাসে ইবাদত করার সুযোগ পেয়েছেন এবং রোজার মাধ্যমে কোরআনকে নিজেদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে তৈরি করতে পেরেছেন, তারা সত্যিই ভাগ্যবান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সমাজের একটি অংশ রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে কেনাকাটা এবং শপিং সেন্টারে সময় নষ্ট করছেন। অনেকে নফল তো দূরের কথা, ফরজ ইবাদতও ভুলে যান। মনে হয় যেন রমজান ইবাদতের মাস নয়, বরং কেনাকাটার মৌসুমে পরিণত হয়েছে। হজরত আব্দুল কাদের জিলানি (র.) তার গুনিয়াতুত তালিবিন কিতাবে বলেছেন, রমজান মাস হলো অন্তর পরিষ্কার করার মাস। যদি এই মাসটি আপনার হৃদয়ে পরিবর্তন আনতে না পারে বা আপনাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে সরিয়ে আনতে না পারে, তবে আর কোন জিনিস আপনার ওপর প্রভাব ফেলবে? সুতরাং অবহেলা ছেড়ে রমজানের এই শেষ দিনগুলো তওবা ও কান্নাকাটির মাধ্যমে অতিবাহিত করা উচিত। রমজানের এই বিদায়বেলায় আমাদের নিজেদের হিসাব মেলাতে হবে। এই মাসে আমরা কী অর্জন করলাম আর কী হারালাম? আল্লাহর সন্তুষ্টি কি আমরা লাভ করতে পেরেছি? রমজান এসেছিল আমাদের গুনাহগুলোকে নেকিতে বদলে দিতে, ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করাতে এবং আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে পরিশুদ্ধ করতে। যদি আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারি, তবে আমরা বড় ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলাম। আজকের এই পবিত্র দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের এই অঙ্গীকার করা উচিত যে, জীবনের বাকি সময়টা আমরা রমজানের শিক্ষা বা তাকওয়া অনুযায়ী পরিচালনা করব। আল্লাহর বিধান মেনে চলব এবং তার অবাধ্যতা থেকে নিজেকে রক্ষা করব। সেই সঙ্গে আমরা পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তির জন্য প্রাণভরে দোয়া করব। আল্লাহ আমাদের তওবা কবুল করুন এবং আগামী বছর আবারও সুস্থতার সঙ্গে রমজান নসিব করুন। আমিন। https://www.bd24live.com/bangla/789056 2026-03-15T05:09:16.000Z 2026-03-15T05:09:16.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2Fmonajat_original_1773550369.jpg","type":"image","length":null}পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছে। এটি এমন এক মাস যা আমাদের নতুন জীবনের সুসংবাদ দেয়, জীবনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সাফল্যের নতুন পথ খুলে দেয়। যে মাসে একটি নফল ইবাদত ফরজের সমান সওয়াব বয়ে আনে এবং একটি ফরজ আদায় করলে ৭০টি ফরজের মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই বরকতময় মাস এখন শেষলগ্নে। রমজানের শেষ দশ দিন মূলত দোজখ থেকে মুক্তির সময়। এই দিনগুলোতে আল্লাহর বান্দাদের ওপর অঝোর ধারায় রহমত বর্ষিত হয়। এই দশকেই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই সময়ে মুমিন মুসলমানরা ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করানোর প্রচেষ্টায় মশগুল থাকেন। যারা এই মাসে ইবাদত করার সুযোগ পেয়েছেন এবং রোজার মাধ্যমে কোরআনকে নিজেদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে তৈরি করতে পেরেছেন, তারা সত্যিই ভাগ্যবান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সমাজের একটি অংশ রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে কেনাকাটা এবং শপিং সেন্টারে সময় নষ্ট করছেন। অনেকে নফল তো দূরের কথা, ফরজ ইবাদতও ভুলে যান। মনে হয় যেন রমজান ইবাদতের মাস নয়, বরং কেনাকাটার মৌসুমে পরিণত হয়েছে। হজরত আব্দুল কাদের জিলানি (র.) তার গুনিয়াতুত তালিবিন কিতাবে বলেছেন, রমজান মাস হলো অন্তর পরিষ্কার করার মাস। যদি এই মাসটি আপনার হৃদয়ে পরিবর্তন আনতে না পারে বা আপনাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে সরিয়ে আনতে না পারে, তবে আর কোন জিনিস আপনার ওপর প্রভাব ফেলবে? সুতরাং অবহেলা ছেড়ে রমজানের এই শেষ দিনগুলো তওবা ও কান্নাকাটির মাধ্যমে অতিবাহিত করা উচিত। রমজানের এই বিদায়বেলায় আমাদের নিজেদের হিসাব মেলাতে হবে। এই মাসে আমরা কী অর্জন করলাম আর কী হারালাম? আল্লাহর সন্তুষ্টি কি আমরা লাভ করতে পেরেছি? রমজান এসেছিল আমাদের গুনাহগুলোকে নেকিতে বদলে দিতে, ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করাতে এবং আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে পরিশুদ্ধ করতে। যদি আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারি, তবে আমরা বড় ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলাম। আজকের এই পবিত্র দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের এই অঙ্গীকার করা উচিত যে, জীবনের বাকি সময়টা আমরা রমজানের শিক্ষা বা তাকওয়া অনুযায়ী পরিচালনা করব। আল্লাহর বিধান মেনে চলব এবং তার অবাধ্যতা থেকে নিজেকে রক্ষা করব। সেই সঙ্গে আমরা পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তির জন্য প্রাণভরে দোয়া করব। আল্লাহ আমাদের তওবা কবুল করুন এবং আগামী বছর আবারও সুস্থতার সঙ্গে রমজান নসিব করুন। আমিন।{"title":"রমজানের শেষ দিনগুলো যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ","link":"https://www.bd24live.com/bangla/789056","description":"পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছে। এটি এমন এক মাস যা আমাদের নতুন জীবনের সুসংবাদ দেয়, জীবনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং সাফল্যের নতুন পথ খুলে দেয়। যে মাসে একটি নফল ইবাদত ফরজের সমান সওয়াব বয়ে আনে এবং একটি ফরজ আদায় করলে ৭০টি ফরজের মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই বরকতময় মাস এখন শেষলগ্নে।\r\nরমজানের শেষ দশ দিন মূলত দোজখ থেকে মুক্তির সময়। এই দিনগুলোতে আল্লাহর বান্দাদের ওপর অঝোর ধারায় রহমত বর্ষিত হয়। এই দশকেই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই সময়ে মুমিন মুসলমানরা ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করানোর প্রচেষ্টায় মশগুল থাকেন।\r\nযারা এই মাসে ইবাদত করার সুযোগ পেয়েছেন এবং রোজার মাধ্যমে কোরআনকে নিজেদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে তৈরি করতে পেরেছেন, তারা সত্যিই ভাগ্যবান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সমাজের একটি অংশ রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে কেনাকাটা এবং শপিং সেন্টারে সময় নষ্ট করছেন। অনেকে নফল তো দূরের কথা, ফরজ ইবাদতও ভুলে যান। মনে হয় যেন রমজান ইবাদতের মাস নয়, বরং কেনাকাটার মৌসুমে পরিণত হয়েছে।\r\nহজরত আব্দুল কাদের জিলানি (র.) তার গুনিয়াতুত তালিবিন কিতাবে বলেছেন, রমজান মাস হলো অন্তর পরিষ্কার করার মাস। যদি এই মাসটি আপনার হৃদয়ে পরিবর্তন আনতে না পারে বা আপনাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে সরিয়ে আনতে না পারে, তবে আর কোন জিনিস আপনার ওপর প্রভাব ফেলবে? সুতরাং অবহেলা ছেড়ে রমজানের এই শেষ দিনগুলো তওবা ও কান্নাকাটির মাধ্যমে অতিবাহিত করা উচিত।\r\nরমজানের এই বিদায়বেলায় আমাদের নিজেদের হিসাব মেলাতে হবে। এই মাসে আমরা কী অর্জন করলাম আর কী হারালাম? আল্লাহর সন্তুষ্টি কি আমরা লাভ করতে পেরেছি? রমজান এসেছিল আমাদের গুনাহগুলোকে নেকিতে বদলে দিতে, ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করাতে এবং আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে পরিশুদ্ধ করতে। যদি আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারি, তবে আমরা বড় ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলাম।\r\nআজকের এই পবিত্র দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের এই অঙ্গীকার করা উচিত যে, জীবনের বাকি সময়টা আমরা রমজানের শিক্ষা বা তাকওয়া অনুযায়ী পরিচালনা করব। আল্লাহর বিধান মেনে চলব এবং তার অবাধ্যতা থেকে নিজেকে রক্ষা করব। সেই সঙ্গে আমরা পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তির জন্য প্রাণভরে দোয়া করব। আল্লাহ আমাদের তওবা কবুল করুন এবং আগামী বছর আবারও সুস্থতার সঙ্গে রমজান নসিব করুন। আমিন।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/789056","pubdate":"Sun, 15 Mar 2026 11:09:16 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2Fmonajat_original_1773550369.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post