মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর এবার দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রিন্স সুলতান’ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো আঘাতের কবলে পড়ে। তবে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। তবে এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমানগুলো যুদ্ধের সময় আকাশে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে শক্তি জোগাতে অপরিহার্য। প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে এই বিমানগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী অপারেশনাল সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, হামলার সময় ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতা ও সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়নি।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে যৌথ হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এখন ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ কৌশল নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তাদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ নাগরিক নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই বিশাল প্রাণহানির বদলা নিতেই ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের তান্ডব চালাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর এবার দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রিন্স সুলতান’ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্সের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো আঘাতের কবলে পড়ে। তবে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। তবে এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমানগুলো যুদ্ধের সময় আকাশে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে শক্তি জোগাতে অপরিহার্য। প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে এই বিমানগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী অপারেশনাল সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, হামলার সময় ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতা ও সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়নি। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে যৌথ হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এখন ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ কৌশল নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তাদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ নাগরিক নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই বিশাল প্রাণহানির বদলা নিতেই ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের তান্ডব চালাচ্ছে। https://www.bd24live.com/bangla/788943 2026-03-14T03:18:23.000Z 2026-03-14T03:18:23.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2FIMG_20260314_091722_%28800_x_450_pixel%29_original_1773458267.jpg","type":"image","length":null}মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর এবার দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রিন্স সুলতান’ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্সের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো আঘাতের কবলে পড়ে। তবে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। তবে এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমানগুলো যুদ্ধের সময় আকাশে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে শক্তি জোগাতে অপরিহার্য। প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে এই বিমানগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী অপারেশনাল সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, হামলার সময় ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতা ও সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়নি। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে যৌথ হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এখন ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ কৌশল নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তাদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ নাগরিক নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই বিশাল প্রাণহানির বদলা নিতেই ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের তান্ডব চালাচ্ছে।{"title":"এবার সৌদিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানে হামলা চালাল ইরান","link":"https://www.bd24live.com/bangla/788943","description":"মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার পর এবার দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রিন্স সুলতান’ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। \r\nশুক্রবার (১৩ মার্চ) দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্সের। \r\nপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো আঘাতের কবলে পড়ে। তবে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। তবে এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।\r\nসামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমানগুলো যুদ্ধের সময় আকাশে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে শক্তি জোগাতে অপরিহার্য। প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে এই বিমানগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী অপারেশনাল সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। \r\nওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, হামলার সময় ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতা ও সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়নি।\r\nএর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে যৌথ হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এখন ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ কৌশল নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তাদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ নাগরিক নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই বিশাল প্রাণহানির বদলা নিতেই ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের তান্ডব চালাচ্ছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/788943","pubdate":"Sat, 14 Mar 2026 09:18:23 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2FIMG_20260314_091722_%28800_x_450_pixel%29_original_1773458267.jpg"},"value":null}}