পাকিস্তানের কাছে ১২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

সিরিজ জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সম্ভাবনাই তৈরি করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজরা। ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১২৯ রানের বড় হার হেরেছে বাংলাদেশ। যার ফলে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান। 

টসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে সে সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয় একটু পরেই। 

পাকিস্তানের ইনিংসে দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত শুরু থেকেই চড়াও হন বাংলাদেশের ওপর। সাদাকাত মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নেন। তাসকিনকে দুটি ছক্কা মেরে হাত খোলেন তিনি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম ফিফটি তুলে নেন তিনি। ১৩তম ওভারে স্কুপ করতে গিয়ে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ৪৬ বলে ৭৫ রান করে ফেরেন সাদাকাত।

ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১০৩ রান। কিন্তু এরপর পাকিস্তান ১৯ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায়। চাপের মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ান সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১০৯ রান।

তবে ৩৯তম ওভারে ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। রিজওয়ানের শট বোলার মিরাজের পায়ে লাগে। অপর প্রান্তে ক্রিজের বাইরে থাকা সালমান বল মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিরাজ সেই সুযোগে বল স্টাম্পে মেরে আপিল করেন। তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে সালমান আউট। ৬৪ রান করে ফেরেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ছিলেন সালমান। একই ওভারে ৪৪ রানে আউট হন রিজওয়ানও।

এরপর পাকিস্তানের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। শেষ ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান থামে ২৭৪ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন নেন ৩ উইকেট।

বাংলাদেশের ব্যাটিং শুরুতেই বিপদে পড়ে। মাত্র ২৭ রানে তিনটি উইকেট হারায়। শাহিন আফ্রিদির বলে তানজিদ ১ রানে ক্যাচ দেন। ওয়াসিমের প্রথম বলেই সাইফও ক্যাচ দেন ১২ রানে। পরের ওভারে আফ্রিদির বলে নাজমুল বোল্ড হন শূন্যতে।

ঠিক তখনই মিরপুরে বজ্রপাত ও বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৩৩ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমিয়ে ৩২ ওভারে নামানো হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান।

খেলা আবার শুরু হওয়ার পর লিটন ও হৃদয় মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। লিটনকে জীবনও দেন মাজ সাদাকাত — ক্যাচ ফেলে দেওয়ায় সেটি ছক্কা হয়। কিন্তু ১৩তম ওভারে সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৪১ রানে ফেরেন লিটন। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাদাকাতের প্রথম উইকেট।

এরপর একে একে আফিফ (১৪ রান), মিরাজ (১ রান), রিশাদ ও হৃদয় (২৮ রান) ফিরে গেলে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। 

প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ অলআউট করেছিল ১১৪ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেরাই অলআউট হয় ১১৪ রান তুলে। পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতল অনায়াসে। সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী রোববারের তৃতীয় ম্যাচটা এখন বনে গেছে অঘোষিত ফাইনাল।

সিরিজ জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সম্ভাবনাই তৈরি করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজরা। ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১২৯ রানের বড় হার হেরেছে বাংলাদেশ। যার ফলে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান।  টসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে সে সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয় একটু পরেই।  পাকিস্তানের ইনিংসে দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত শুরু থেকেই চড়াও হন বাংলাদেশের ওপর। সাদাকাত মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নেন। তাসকিনকে দুটি ছক্কা মেরে হাত খোলেন তিনি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম ফিফটি তুলে নেন তিনি। ১৩তম ওভারে স্কুপ করতে গিয়ে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ৪৬ বলে ৭৫ রান করে ফেরেন সাদাকাত। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১০৩ রান। কিন্তু এরপর পাকিস্তান ১৯ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায়। চাপের মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ান সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১০৯ রান। তবে ৩৯তম ওভারে ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। রিজওয়ানের শট বোলার মিরাজের পায়ে লাগে। অপর প্রান্তে ক্রিজের বাইরে থাকা সালমান বল মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিরাজ সেই সুযোগে বল স্টাম্পে মেরে আপিল করেন। তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে সালমান আউট। ৬৪ রান করে ফেরেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ছিলেন সালমান। একই ওভারে ৪৪ রানে আউট হন রিজওয়ানও। এরপর পাকিস্তানের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। শেষ ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান থামে ২৭৪ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন নেন ৩ উইকেট। বাংলাদেশের ব্যাটিং শুরুতেই বিপদে পড়ে। মাত্র ২৭ রানে তিনটি উইকেট হারায়। শাহিন আফ্রিদির বলে তানজিদ ১ রানে ক্যাচ দেন। ওয়াসিমের প্রথম বলেই সাইফও ক্যাচ দেন ১২ রানে। পরের ওভারে আফ্রিদির বলে নাজমুল বোল্ড হন শূন্যতে। ঠিক তখনই মিরপুরে বজ্রপাত ও বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৩৩ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমিয়ে ৩২ ওভারে নামানো হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান। খেলা আবার শুরু হওয়ার পর লিটন ও হৃদয় মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। লিটনকে জীবনও দেন মাজ সাদাকাত — ক্যাচ ফেলে দেওয়ায় সেটি ছক্কা হয়। কিন্তু ১৩তম ওভারে সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৪১ রানে ফেরেন লিটন। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাদাকাতের প্রথম উইকেট। এরপর একে একে আফিফ (১৪ রান), মিরাজ (১ রান), রিশাদ ও হৃদয় (২৮ রান) ফিরে গেলে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়।  প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ অলআউট করেছিল ১১৪ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেরাই অলআউট হয় ১১৪ রান তুলে। পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতল অনায়াসে। সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী রোববারের তৃতীয় ম্যাচটা এখন বনে গেছে অঘোষিত ফাইনাল। https://www.bd24live.com/bangla/788934 2026-03-13T17:07:08.000Z 2026-03-13T17:07:08.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2F154_original_1773421624.jpg","type":"image","length":null}সিরিজ জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সম্ভাবনাই তৈরি করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজরা। ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১২৯ রানের বড় হার হেরেছে বাংলাদেশ। যার ফলে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান।  টসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে সে সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয় একটু পরেই।  পাকিস্তানের ইনিংসে দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত শুরু থেকেই চড়াও হন বাংলাদেশের ওপর। সাদাকাত মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নেন। তাসকিনকে দুটি ছক্কা মেরে হাত খোলেন তিনি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম ফিফটি তুলে নেন তিনি। ১৩তম ওভারে স্কুপ করতে গিয়ে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ৪৬ বলে ৭৫ রান করে ফেরেন সাদাকাত। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১০৩ রান। কিন্তু এরপর পাকিস্তান ১৯ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায়। চাপের মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ান সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১০৯ রান। তবে ৩৯তম ওভারে ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। রিজওয়ানের শট বোলার মিরাজের পায়ে লাগে। অপর প্রান্তে ক্রিজের বাইরে থাকা সালমান বল মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিরাজ সেই সুযোগে বল স্টাম্পে মেরে আপিল করেন। তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে সালমান আউট। ৬৪ রান করে ফেরেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ছিলেন সালমান। একই ওভারে ৪৪ রানে আউট হন রিজওয়ানও। এরপর পাকিস্তানের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। শেষ ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান থামে ২৭৪ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন নেন ৩ উইকেট। বাংলাদেশের ব্যাটিং শুরুতেই বিপদে পড়ে। মাত্র ২৭ রানে তিনটি উইকেট হারায়। শাহিন আফ্রিদির বলে তানজিদ ১ রানে ক্যাচ দেন। ওয়াসিমের প্রথম বলেই সাইফও ক্যাচ দেন ১২ রানে। পরের ওভারে আফ্রিদির বলে নাজমুল বোল্ড হন শূন্যতে। ঠিক তখনই মিরপুরে বজ্রপাত ও বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৩৩ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমিয়ে ৩২ ওভারে নামানো হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান। খেলা আবার শুরু হওয়ার পর লিটন ও হৃদয় মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। লিটনকে জীবনও দেন মাজ সাদাকাত — ক্যাচ ফেলে দেওয়ায় সেটি ছক্কা হয়। কিন্তু ১৩তম ওভারে সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৪১ রানে ফেরেন লিটন। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাদাকাতের প্রথম উইকেট। এরপর একে একে আফিফ (১৪ রান), মিরাজ (১ রান), রিশাদ ও হৃদয় (২৮ রান) ফিরে গেলে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়।  প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ অলআউট করেছিল ১১৪ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেরাই অলআউট হয় ১১৪ রান তুলে। পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতল অনায়াসে। সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী রোববারের তৃতীয় ম্যাচটা এখন বনে গেছে অঘোষিত ফাইনাল।{"title":"পাকিস্তানের কাছে ১২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ","link":"https://www.bd24live.com/bangla/788934","description":"সিরিজ জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সম্ভাবনাই তৈরি করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজরা। ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১২৯ রানের বড় হার হেরেছে বাংলাদেশ। যার ফলে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান। \r\nটসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে সে সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয় একটু পরেই। \r\nপাকিস্তানের ইনিংসে দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত শুরু থেকেই চড়াও হন বাংলাদেশের ওপর। সাদাকাত মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নেন। তাসকিনকে দুটি ছক্কা মেরে হাত খোলেন তিনি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম ফিফটি তুলে নেন তিনি। ১৩তম ওভারে স্কুপ করতে গিয়ে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ৪৬ বলে ৭৫ রান করে ফেরেন সাদাকাত।\r\nওপেনিং জুটি থেকে আসে ১০৩ রান। কিন্তু এরপর পাকিস্তান ১৯ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায়। চাপের মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ান সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১০৯ রান।\r\nতবে ৩৯তম ওভারে ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। রিজওয়ানের শট বোলার মিরাজের পায়ে লাগে। অপর প্রান্তে ক্রিজের বাইরে থাকা সালমান বল মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিরাজ সেই সুযোগে বল স্টাম্পে মেরে আপিল করেন। তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে সালমান আউট। ৬৪ রান করে ফেরেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ছিলেন সালমান। একই ওভারে ৪৪ রানে আউট হন রিজওয়ানও।\r\nএরপর পাকিস্তানের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। শেষ ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান থামে ২৭৪ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন নেন ৩ উইকেট।\r\nবাংলাদেশের ব্যাটিং শুরুতেই বিপদে পড়ে। মাত্র ২৭ রানে তিনটি উইকেট হারায়। শাহিন আফ্রিদির বলে তানজিদ ১ রানে ক্যাচ দেন। ওয়াসিমের প্রথম বলেই সাইফও ক্যাচ দেন ১২ রানে। পরের ওভারে আফ্রিদির বলে নাজমুল বোল্ড হন শূন্যতে।\r\nঠিক তখনই মিরপুরে বজ্রপাত ও বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৩৩ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমিয়ে ৩২ ওভারে নামানো হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান।\r\nখেলা আবার শুরু হওয়ার পর লিটন ও হৃদয় মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। লিটনকে জীবনও দেন মাজ সাদাকাত — ক্যাচ ফেলে দেওয়ায় সেটি ছক্কা হয়। কিন্তু ১৩তম ওভারে সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৪১ রানে ফেরেন লিটন। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাদাকাতের প্রথম উইকেট।\r\nএরপর একে একে আফিফ (১৪ রান), মিরাজ (১ রান), রিশাদ ও হৃদয় (২৮ রান) ফিরে গেলে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। \r\nপ্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ অলআউট করেছিল ১১৪ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেরাই অলআউট হয় ১১৪ রান তুলে। পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতল অনায়াসে। সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী রোববারের তৃতীয় ম্যাচটা এখন বনে গেছে অঘোষিত ফাইনাল।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/788934","pubdate":"Fri, 13 Mar 2026 23:07:08 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2F154_original_1773421624.jpg
"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post