কর্মীর মৃত্যুতে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী, অংশ নিলেন জানাজা ও দাফনে

কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোহাম্মদ আলীর (মেরিজ কাজী) মৃত্যুর সংবাদে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। অংশ নিয়েছেন জানাজা ও দাফনে। শোকাহত পরিবারকে দিয়েছেন সান্ত্বনা। সোমবার বাদ আছর মুরাদনগর সদরের বড় মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় উপস্থিত হয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ আলী ছিল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ। সে ছিল আমার ভাই এবং খুব কাছের একজন মানুষ। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন আমি আমার মায়ের জানাজাসহ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আপনাদের সামনে আসতে পেরেছি। জানাজায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম সারোয়ার রাব্বী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন, মুরাদনগর সার্কেলের এ কে এম কামরুজ্জামান, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হক, বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাফেজ মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোহাম্মদ আলীর (মেরিজ কাজী) মৃত্যুর সংবাদে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। অংশ নিয়েছেন জানাজা ও দাফনে। শোকাহত পরিবারকে দিয়েছেন সান্ত্বনা। সোমবার বাদ আছর মুরাদনগর সদরের বড় মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় উপস্থিত হয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ আলী ছিল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ। সে ছিল আমার ভাই এবং খুব কাছের একজন মানুষ। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন আমি আমার মায়ের জানাজাসহ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আপনাদের সামনে আসতে পেরেছি। জানাজায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম সারোয়ার রাব্বী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন, মুরাদনগর সার্কেলের এ কে এম কামরুজ্জামান, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হক, বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাফেজ মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। https://www.bd24live.com/bangla/791509 2026-04-13T16:51:11.000Z 2026-04-13T16:51:11.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293720_1776098649_original_1776099071.jpg","type":"image","length":null}কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোহাম্মদ আলীর (মেরিজ কাজী) মৃত্যুর সংবাদে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। অংশ নিয়েছেন জানাজা ও দাফনে। শোকাহত পরিবারকে দিয়েছেন সান্ত্বনা। সোমবার বাদ আছর মুরাদনগর সদরের বড় মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় উপস্থিত হয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ আলী ছিল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ। সে ছিল আমার ভাই এবং খুব কাছের একজন মানুষ। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন আমি আমার মায়ের জানাজাসহ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আপনাদের সামনে আসতে পেরেছি। জানাজায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম সারোয়ার রাব্বী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন, মুরাদনগর সার্কেলের এ কে এম কামরুজ্জামান, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হক, বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাফেজ মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।{"title":"কর্মীর মৃত্যুতে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী, অংশ নিলেন জানাজা ও দাফনে","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791509","description":"কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোহাম্মদ আলীর (মেরিজ কাজী) মৃত্যুর সংবাদে কাঁদলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। অংশ নিয়েছেন জানাজা ও দাফনে। শোকাহত পরিবারকে দিয়েছেন সান্ত্বনা। সোমবার বাদ আছর মুরাদনগর সদরের বড় মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।\r\nজানাজায় উপস্থিত হয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ আলী ছিল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ। সে ছিল আমার ভাই এবং খুব কাছের একজন মানুষ। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন আমি আমার মায়ের জানাজাসহ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আপনাদের সামনে আসতে পেরেছি। জানাজায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।\r\nএ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম সারোয়ার রাব্বী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন, মুরাদনগর সার্কেলের এ কে এম কামরুজ্জামান, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হক, বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাফেজ মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791509","pubdate":"Mon, 13 Apr 2026 22:51:11 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293720_1776098649_original_1776099071.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post