ইকুয়েডরে মহাসড়ক থেকে ছিটকে পড়ল বাস, নিহত ১৪

লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলে এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন আজুয়ায় প্রদেশের একটি পাহাড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৯ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) আজুয়ায় প্রদেশের কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। দ্রুতগতিতে চলতে থাকা বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী গভীর খাদে পড়ে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

ইকুয়েডরের জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সংস্থাটি আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল অভিযান চালাচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

আজুয়ায়ের রাজধানী কুয়েনকা ইকুয়েডরের অন্যতম জনবহুল ও পাহাড়ি শহর। এই অঞ্চলের আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে প্রতি বছর হাজারো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৩৭৩ জন নিহত হয়েছিলেন, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ। চালকদের অসতর্কতা, দ্রুতগতি এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে চলতি বছরেও প্রাণহানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলে এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন আজুয়ায় প্রদেশের একটি পাহাড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৯ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) আজুয়ায় প্রদেশের কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। দ্রুতগতিতে চলতে থাকা বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী গভীর খাদে পড়ে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। ইকুয়েডরের জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংস্থাটি আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল অভিযান চালাচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আজুয়ায়ের রাজধানী কুয়েনকা ইকুয়েডরের অন্যতম জনবহুল ও পাহাড়ি শহর। এই অঞ্চলের আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে প্রতি বছর হাজারো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৩৭৩ জন নিহত হয়েছিলেন, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ। চালকদের অসতর্কতা, দ্রুতগতি এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে চলতি বছরেও প্রাণহানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। https://www.bd24live.com/bangla/791699 2026-04-16T08:41:16.000Z 2026-04-16T08:41:16.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2Fequador_original_1776327212.jpg","type":"image","length":null}লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলে এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন আজুয়ায় প্রদেশের একটি পাহাড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৯ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) আজুয়ায় প্রদেশের কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। দ্রুতগতিতে চলতে থাকা বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী গভীর খাদে পড়ে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। ইকুয়েডরের জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংস্থাটি আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল অভিযান চালাচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আজুয়ায়ের রাজধানী কুয়েনকা ইকুয়েডরের অন্যতম জনবহুল ও পাহাড়ি শহর। এই অঞ্চলের আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে প্রতি বছর হাজারো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৩৭৩ জন নিহত হয়েছিলেন, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ। চালকদের অসতর্কতা, দ্রুতগতি এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে চলতি বছরেও প্রাণহানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।{"title":"ইকুয়েডরে মহাসড়ক থেকে ছিটকে পড়ল বাস, নিহত ১৪","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791699","description":"লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলে এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন আজুয়ায় প্রদেশের একটি পাহাড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৯ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।\r\nস্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) আজুয়ায় প্রদেশের কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। দ্রুতগতিতে চলতে থাকা বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী গভীর খাদে পড়ে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।\r\nইকুয়েডরের জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।\r\nসংস্থাটি আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল অভিযান চালাচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।\r\nআজুয়ায়ের রাজধানী কুয়েনকা ইকুয়েডরের অন্যতম জনবহুল ও পাহাড়ি শহর। এই অঞ্চলের আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে প্রতি বছর হাজারো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।\r\nপরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৩৭৩ জন নিহত হয়েছিলেন, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ। চালকদের অসতর্কতা, দ্রুতগতি এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে চলতি বছরেও প্রাণহানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791699","pubdate":"Thu, 16 Apr 2026 14:41:16 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2Fequador_original_1776327212.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post