ক্ষতিপূরণ চাইছে ইরান, ২৭০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ধ্বংসযজ্ঞ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ২৭০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয় এবং সময়ের সঙ্গে তা পরিবর্তিত হতে পারে।

মঙ্গলবার রাশিয়ার বার্তা সংস্থা RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিভিন্ন স্তরে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তাই এটি একটি প্রাথমিক হিসাব মাত্র।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে।

এর আগে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পির-হোসেইন কৌলিভান্দ জানান, হামলার ফলে দেশজুড়ে এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি স্থাপনা ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ আবাসিক ভবন এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে।

ইরানের লিগ্যাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩ হাজার ৭৫৩ জন নিহত হয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যা ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।

এ সময় ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে শত্রুপক্ষ ও তাদের সহযোগীদের তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেয় বলে জানা যায়।

পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা পরিকল্পনাকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে টানা ২০ ঘণ্টার বেশি আলোচনার পরও দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। তবুও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ২৭০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয় এবং সময়ের সঙ্গে তা পরিবর্তিত হতে পারে। মঙ্গলবার রাশিয়ার বার্তা সংস্থা RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিভিন্ন স্তরে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তাই এটি একটি প্রাথমিক হিসাব মাত্র। তিনি আরও জানান, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে। এর আগে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পির-হোসেইন কৌলিভান্দ জানান, হামলার ফলে দেশজুড়ে এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি স্থাপনা ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ আবাসিক ভবন এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে। ইরানের লিগ্যাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩ হাজার ৭৫৩ জন নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যা ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়। এ সময় ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে শত্রুপক্ষ ও তাদের সহযোগীদের তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা পরিকল্পনাকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে টানা ২০ ঘণ্টার বেশি আলোচনার পরও দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। তবুও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে। https://www.bd24live.com/bangla/791554 2026-04-14T11:30:09.000Z 2026-04-14T11:30:09.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FIran343_original_1776166192.jpg","type":"image","length":null}যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ২৭০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয় এবং সময়ের সঙ্গে তা পরিবর্তিত হতে পারে। মঙ্গলবার রাশিয়ার বার্তা সংস্থা RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিভিন্ন স্তরে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তাই এটি একটি প্রাথমিক হিসাব মাত্র। তিনি আরও জানান, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে। এর আগে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পির-হোসেইন কৌলিভান্দ জানান, হামলার ফলে দেশজুড়ে এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি স্থাপনা ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ আবাসিক ভবন এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে। ইরানের লিগ্যাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩ হাজার ৭৫৩ জন নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যা ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়। এ সময় ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে শত্রুপক্ষ ও তাদের সহযোগীদের তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা পরিকল্পনাকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে টানা ২০ ঘণ্টার বেশি আলোচনার পরও দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। তবুও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে।{"title":"ক্ষতিপূরণ চাইছে ইরান, ২৭০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ধ্বংসযজ্ঞ","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791554","description":"যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ২৭০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয় এবং সময়ের সঙ্গে তা পরিবর্তিত হতে পারে।\r\nমঙ্গলবার রাশিয়ার বার্তা সংস্থা RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিভিন্ন স্তরে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তাই এটি একটি প্রাথমিক হিসাব মাত্র।\r\nতিনি আরও জানান, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে।\r\nএর আগে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পির-হোসেইন কৌলিভান্দ জানান, হামলার ফলে দেশজুড়ে এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি স্থাপনা ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ আবাসিক ভবন এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে।\r\nইরানের লিগ্যাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩ হাজার ৭৫৩ জন নিহত হয়েছেন।\r\nগত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যা ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।\r\nএ সময় ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে শত্রুপক্ষ ও তাদের সহযোগীদের তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেয় বলে জানা যায়।\r\nপরবর্তীতে ৮ এপ্রিল ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা পরিকল্পনাকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে টানা ২০ ঘণ্টার বেশি আলোচনার পরও দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। তবুও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791554","pubdate":"Tue, 14 Apr 2026 17:30:09 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":888,"height":499,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FIran343_original_1776166192.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post