জয়পুরহাট জামায়াত নেতার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাময়াত নেতা মোঃ আজিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) জয়পুহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল একই স্থানে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে মোঃ মাহফুজুল হক কুপরামর্শ দিয়ে মোঃ তারেক হাসান (মিঠু)-কে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করান।

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা মামলা, মারধর ও নারী আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আজিজুর রহমান জানান, ১৯৭৫ সালে দানকৃত হানাইল মাদ্রাসার ৫৫ শতক জমি ২০২০ সালে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে ছাত্রাবাস নির্মাণের প্রয়োজনে তার কাছে বিক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জমিতে প্রাচীর নির্মাণের সময় মাহফুজুল হক একটি কথিত ২০১২ সালের ২.৫ শতকের দলিল দেখিয়ে মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে দায়ের হওয়া ল্যান্ড সার্ভে মামলায় ২০২৫ সালে আদালত আজিজুর রহমানের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে করা আপিল মামলাও ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তার পক্ষেই নিষ্পত্তি হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত মামলায় পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। অপহরণ ও শিশু সংক্রান্ত মামলা নং- ১৯/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেন। চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনি নিজেই ২২৫পি ধারায় একটি মামলা করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন এছাড়া মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে আদালত প্রতারণার আরেকটি মামলা (তারিখ: ১৮/১১/২০২৫) রয়েছে, যার চার্জশিট প্রস্তুত হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে মোঃ আব্দুল আলিম, মাহফুজুল হকসহ কয়েকজন তার বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সে সময় বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তার স্ত্রী ও পুত্রবধূকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং ফাহিমা আক্তার ফুলকে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। এসময় আলমারির চাবি নিয়ে স্বর্ণালংকার লুট করে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় আব্দুল আলিমকে আটক করা হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী কিশোরী ফাহিমা আক্তার ফুলের জবানবন্দি তুলে ধরা হয়, যেখানে তিনি নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে সৎ পিতা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন এবং নিজের ইচ্ছায় খালার বাসায় আশ্রয় নেওয়ার কথা জানান।

এছাড়া তার পিতা মাহমুদুল হাসানও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাকে আত্মীয়ের বাসায় রাখা হয়েছিল এবং অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. তারেক হাসান (মিঠু) লিখিত বক্তব্যে জানান, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। মিঠুর মা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে আয়া পদে চাকরি করতেন, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ তার মাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে সেই বেতনের টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে। কিছুদিন আগে তার ছোট বোন ফুল কে আটকে রাখেন আব্দুল আজিজ পরে মা ছোট বোন কে নিতে গেলে আমার মাকেও আটকে রাখা হয়। আমার বাবা মা ও বোনকে উদ্ধার করতে গেলে তাকে আজিজ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে তার বাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন।

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাময়াত নেতা মোঃ আজিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) জয়পুহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল একই স্থানে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে মোঃ মাহফুজুল হক কুপরামর্শ দিয়ে মোঃ তারেক হাসান (মিঠু)-কে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করান। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা মামলা, মারধর ও নারী আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আজিজুর রহমান জানান, ১৯৭৫ সালে দানকৃত হানাইল মাদ্রাসার ৫৫ শতক জমি ২০২০ সালে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে ছাত্রাবাস নির্মাণের প্রয়োজনে তার কাছে বিক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জমিতে প্রাচীর নির্মাণের সময় মাহফুজুল হক একটি কথিত ২০১২ সালের ২.৫ শতকের দলিল দেখিয়ে মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে দায়ের হওয়া ল্যান্ড সার্ভে মামলায় ২০২৫ সালে আদালত আজিজুর রহমানের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে করা আপিল মামলাও ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তার পক্ষেই নিষ্পত্তি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত মামলায় পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। অপহরণ ও শিশু সংক্রান্ত মামলা নং- ১৯/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেন। চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনি নিজেই ২২৫পি ধারায় একটি মামলা করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন এছাড়া মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে আদালত প্রতারণার আরেকটি মামলা (তারিখ: ১৮/১১/২০২৫) রয়েছে, যার চার্জশিট প্রস্তুত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে মোঃ আব্দুল আলিম, মাহফুজুল হকসহ কয়েকজন তার বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সে সময় বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তার স্ত্রী ও পুত্রবধূকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং ফাহিমা আক্তার ফুলকে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। এসময় আলমারির চাবি নিয়ে স্বর্ণালংকার লুট করে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় আব্দুল আলিমকে আটক করা হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী কিশোরী ফাহিমা আক্তার ফুলের জবানবন্দি তুলে ধরা হয়, যেখানে তিনি নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে সৎ পিতা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন এবং নিজের ইচ্ছায় খালার বাসায় আশ্রয় নেওয়ার কথা জানান। এছাড়া তার পিতা মাহমুদুল হাসানও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাকে আত্মীয়ের বাসায় রাখা হয়েছিল এবং অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা। উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. তারেক হাসান (মিঠু) লিখিত বক্তব্যে জানান, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। মিঠুর মা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে আয়া পদে চাকরি করতেন, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ তার মাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে সেই বেতনের টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে। কিছুদিন আগে তার ছোট বোন ফুল কে আটকে রাখেন আব্দুল আজিজ পরে মা ছোট বোন কে নিতে গেলে আমার মাকেও আটকে রাখা হয়। আমার বাবা মা ও বোনকে উদ্ধার করতে গেলে তাকে আজিজ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে তার বাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন। https://www.bd24live.com/bangla/791919 2026-04-18T12:52:08.000Z 2026-04-18T12:52:08.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293914_1776510732_original_1776515608.jpg","type":"image","length":null}জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাময়াত নেতা মোঃ আজিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) জয়পুহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল একই স্থানে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে মোঃ মাহফুজুল হক কুপরামর্শ দিয়ে মোঃ তারেক হাসান (মিঠু)-কে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করান। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা মামলা, মারধর ও নারী আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আজিজুর রহমান জানান, ১৯৭৫ সালে দানকৃত হানাইল মাদ্রাসার ৫৫ শতক জমি ২০২০ সালে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে ছাত্রাবাস নির্মাণের প্রয়োজনে তার কাছে বিক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জমিতে প্রাচীর নির্মাণের সময় মাহফুজুল হক একটি কথিত ২০১২ সালের ২.৫ শতকের দলিল দেখিয়ে মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে দায়ের হওয়া ল্যান্ড সার্ভে মামলায় ২০২৫ সালে আদালত আজিজুর রহমানের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে করা আপিল মামলাও ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তার পক্ষেই নিষ্পত্তি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত মামলায় পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। অপহরণ ও শিশু সংক্রান্ত মামলা নং- ১৯/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেন। চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনি নিজেই ২২৫পি ধারায় একটি মামলা করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন এছাড়া মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে আদালত প্রতারণার আরেকটি মামলা (তারিখ: ১৮/১১/২০২৫) রয়েছে, যার চার্জশিট প্রস্তুত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে মোঃ আব্দুল আলিম, মাহফুজুল হকসহ কয়েকজন তার বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সে সময় বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তার স্ত্রী ও পুত্রবধূকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং ফাহিমা আক্তার ফুলকে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। এসময় আলমারির চাবি নিয়ে স্বর্ণালংকার লুট করে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় আব্দুল আলিমকে আটক করা হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী কিশোরী ফাহিমা আক্তার ফুলের জবানবন্দি তুলে ধরা হয়, যেখানে তিনি নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে সৎ পিতা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন এবং নিজের ইচ্ছায় খালার বাসায় আশ্রয় নেওয়ার কথা জানান। এছাড়া তার পিতা মাহমুদুল হাসানও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাকে আত্মীয়ের বাসায় রাখা হয়েছিল এবং অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা। উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. তারেক হাসান (মিঠু) লিখিত বক্তব্যে জানান, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। মিঠুর মা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে আয়া পদে চাকরি করতেন, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ তার মাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে সেই বেতনের টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে। কিছুদিন আগে তার ছোট বোন ফুল কে আটকে রাখেন আব্দুল আজিজ পরে মা ছোট বোন কে নিতে গেলে আমার মাকেও আটকে রাখা হয়। আমার বাবা মা ও বোনকে উদ্ধার করতে গেলে তাকে আজিজ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে তার বাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন।{"title":"জয়পুরহাট জামায়াত নেতার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791919","description":"জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাময়াত নেতা মোঃ আজিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।\r\nশনিবার (১৮ এপ্রিল) জয়পুহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল একই স্থানে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে মোঃ মাহফুজুল হক কুপরামর্শ দিয়ে মোঃ তারেক হাসান (মিঠু)-কে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করান।\r\nতিনি জানান, তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা মামলা, মারধর ও নারী আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।\r\nআজিজুর রহমান জানান, ১৯৭৫ সালে দানকৃত হানাইল মাদ্রাসার ৫৫ শতক জমি ২০২০ সালে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে ছাত্রাবাস নির্মাণের প্রয়োজনে তার কাছে বিক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জমিতে প্রাচীর নির্মাণের সময় মাহফুজুল হক একটি কথিত ২০১২ সালের ২.৫ শতকের দলিল দেখিয়ে মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে দায়ের হওয়া ল্যান্ড সার্ভে মামলায় ২০২৫ সালে আদালত আজিজুর রহমানের পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে করা আপিল মামলাও ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তার পক্ষেই নিষ্পত্তি হয়।\r\nতিনি অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত মামলায় পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। অপহরণ ও শিশু সংক্রান্ত মামলা নং- ১৯/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেন। চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনি নিজেই ২২৫পি ধারায় একটি মামলা করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন এছাড়া মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে আদালত প্রতারণার আরেকটি মামলা (তারিখ: ১৮/১১/২০২৫) রয়েছে, যার চার্জশিট প্রস্তুত হয়েছে।\r\nতিনি আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।\r\nআজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে মোঃ আব্দুল আলিম, মাহফুজুল হকসহ কয়েকজন তার বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সে সময় বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তার স্ত্রী ও পুত্রবধূকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং ফাহিমা আক্তার ফুলকে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। এসময় আলমারির চাবি নিয়ে স্বর্ণালংকার লুট করে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় আব্দুল আলিমকে আটক করা হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।\r\nসংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী কিশোরী ফাহিমা আক্তার ফুলের জবানবন্দি তুলে ধরা হয়, যেখানে তিনি নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে সৎ পিতা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন এবং নিজের ইচ্ছায় খালার বাসায় আশ্রয় নেওয়ার কথা জানান।\r\nএছাড়া তার পিতা মাহমুদুল হাসানও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাকে আত্মীয়ের বাসায় রাখা হয়েছিল এবং অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা।\r\nউল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. তারেক হাসান (মিঠু) লিখিত বক্তব্যে জানান, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। মিঠুর মা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে আয়া পদে চাকরি করতেন, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ তার মাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে সেই বেতনের টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে। কিছুদিন আগে তার ছোট বোন ফুল কে আটকে রাখেন আব্দুল আজিজ পরে মা ছোট বোন কে নিতে গেলে আমার মাকেও আটকে রাখা হয়। আমার বাবা মা ও বোনকে উদ্ধার করতে গেলে তাকে আজিজ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে তার বাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791919","pubdate":"Sat, 18 Apr 2026 18:52:08 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293914_1776510732_original_1776515608.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post