চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানাধীন মৌসুমি আবাসিক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে আশফাক কবির সাজিদ নামে এক কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনায় মঙ্গলবার নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলায় সুনির্দিষ্ট ৭ জন ছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন- আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েস ও ভবনের দারোয়ান এনামুল হক। আসামিদের বেশিরভাগই একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাজিদ লেখাপড়ার সুবাদে ডিসি রোড শিশু কবরস্থানের পাশে কেএম মঞ্জিলের ষষ্ঠতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার (১২ এপ্রিল) ঘটনার দিন বিকালে সাজিদের বন্ধু ফারদিন হাসানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিকের মোড়ে দেখা করে। তারা দুইজনে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েক কিশোর গ্যাং সদস্য ধারাল ছোরার ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সাজিদ কৌশলে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের ‘আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ভবনে প্রবেশের প্রধান গেট আটকিয়ে ভবনের ৮ম তলায় উঠে যায়। তবে হামলাকারীরা ভবনটির গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আইমনসহ অন্যরা ভবনের উপরে উঠে সাজিদকে মারধর করে ভবনের ৮ম তলার লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আবুল হাশেম সিকদার জানান, সাজিদ কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলো না। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ জানান, মামলার পর নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে ‘কিশোর গ্যাং’ দ্বন্দ্ব কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানাধীন মৌসুমি আবাসিক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে আশফাক কবির সাজিদ নামে এক কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনায় মঙ্গলবার নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৭ জন ছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন- আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েস ও ভবনের দারোয়ান এনামুল হক। আসামিদের বেশিরভাগই একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাজিদ লেখাপড়ার সুবাদে ডিসি রোড শিশু কবরস্থানের পাশে কেএম মঞ্জিলের ষষ্ঠতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার (১২ এপ্রিল) ঘটনার দিন বিকালে সাজিদের বন্ধু ফারদিন হাসানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিকের মোড়ে দেখা করে। তারা দুইজনে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েক কিশোর গ্যাং সদস্য ধারাল ছোরার ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সাজিদ কৌশলে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের ‘আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ভবনে প্রবেশের প্রধান গেট আটকিয়ে ভবনের ৮ম তলায় উঠে যায়। তবে হামলাকারীরা ভবনটির গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আইমনসহ অন্যরা ভবনের উপরে উঠে সাজিদকে মারধর করে ভবনের ৮ম তলার লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবুল হাশেম সিকদার জানান, সাজিদ কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলো না। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ জানান, মামলার পর নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে ‘কিশোর গ্যাং’ দ্বন্দ্ব কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। https://www.bd24live.com/bangla/791728 2026-04-16T12:02:10.000Z 2026-04-16T12:02:10.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293822_1776338802_original_1776339530.jpg","type":"image","length":null}চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানাধীন মৌসুমি আবাসিক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে আশফাক কবির সাজিদ নামে এক কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনায় মঙ্গলবার নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৭ জন ছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন- আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েস ও ভবনের দারোয়ান এনামুল হক। আসামিদের বেশিরভাগই একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাজিদ লেখাপড়ার সুবাদে ডিসি রোড শিশু কবরস্থানের পাশে কেএম মঞ্জিলের ষষ্ঠতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার (১২ এপ্রিল) ঘটনার দিন বিকালে সাজিদের বন্ধু ফারদিন হাসানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিকের মোড়ে দেখা করে। তারা দুইজনে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েক কিশোর গ্যাং সদস্য ধারাল ছোরার ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সাজিদ কৌশলে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের ‘আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ভবনে প্রবেশের প্রধান গেট আটকিয়ে ভবনের ৮ম তলায় উঠে যায়। তবে হামলাকারীরা ভবনটির গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আইমনসহ অন্যরা ভবনের উপরে উঠে সাজিদকে মারধর করে ভবনের ৮ম তলার লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবুল হাশেম সিকদার জানান, সাজিদ কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলো না। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ জানান, মামলার পর নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে ‘কিশোর গ্যাং’ দ্বন্দ্ব কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।{"title":"নির্মাণাধীন ভবনে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্রকে হত্যা","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791728","description":"চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানাধীন মৌসুমি আবাসিক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে আশফাক কবির সাজিদ নামে এক কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনায় মঙ্গলবার নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।\r\nমামলায় সুনির্দিষ্ট ৭ জন ছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন- আইমন, অনিক, রানা মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েস ও ভবনের দারোয়ান এনামুল হক। আসামিদের বেশিরভাগই একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।\r\nপুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাজিদ লেখাপড়ার সুবাদে ডিসি রোড শিশু কবরস্থানের পাশে কেএম মঞ্জিলের ষষ্ঠতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।\r\nমামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার (১২ এপ্রিল) ঘটনার দিন বিকালে সাজিদের বন্ধু ফারদিন হাসানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিকের মোড়ে দেখা করে। তারা দুইজনে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েক কিশোর গ্যাং সদস্য ধারাল ছোরার ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সাজিদ কৌশলে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিকের ‘আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশনের ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে ভবনে প্রবেশের প্রধান গেট আটকিয়ে ভবনের ৮ম তলায় উঠে যায়। তবে হামলাকারীরা ভবনটির গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আইমনসহ অন্যরা ভবনের উপরে উঠে সাজিদকে মারধর করে ভবনের ৮ম তলার লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।\r\nপুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।\r\nআবুল হাশেম সিকদার জানান, সাজিদ কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলো না। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।\r\nচকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ জানান, মামলার পর নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে ‘কিশোর গ্যাং’ দ্বন্দ্ব কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791728","pubdate":"Thu, 16 Apr 2026 18:02:10 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_293822_1776338802_original_1776339530.jpg"},"value":null}}