যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অবশেষে সরাসরি মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি বলেছেন—খুব শিগগিরই এ রহস্যের ‘স্পষ্ট উত্তর’ পাওয়া যেতে পারে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি কাকতালীয়, তবে আমরা খুব দ্রুতই জানতে পারব।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল খাতে যুক্ত ছিলেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক।
এই ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এটি গুরুতর বিষয়... এদের মধ্যে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”
এদিকে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, পারমাণবিক প্রতিরোধ ও মহাকাশ আধিপত্যসংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যা দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে তিনি এখনো বিস্তারিত আলোচনা করেননি, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব বিজ্ঞানীর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টার—যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, নিখোঁজ অনেক বিজ্ঞানী হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও চাবির মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরেই রেখে যান। অন্যদিকে কয়েকজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর আকস্মিক বা সহিংস মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার সতর্ক করে বলেছেন, এসব ঘটনার পেছনে গুপ্তচরবৃত্তি বা পরিকল্পিত অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অবশেষে সরাসরি মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি বলেছেন—খুব শিগগিরই এ রহস্যের ‘স্পষ্ট উত্তর’ পাওয়া যেতে পারে। বার্তাসংস্থা আনাদোলু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি কাকতালীয়, তবে আমরা খুব দ্রুতই জানতে পারব।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল খাতে যুক্ত ছিলেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক। এই ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এটি গুরুতর বিষয়... এদের মধ্যে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।” এদিকে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, পারমাণবিক প্রতিরোধ ও মহাকাশ আধিপত্যসংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যা দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে তিনি এখনো বিস্তারিত আলোচনা করেননি, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব বিজ্ঞানীর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টার—যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করে। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, নিখোঁজ অনেক বিজ্ঞানী হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও চাবির মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরেই রেখে যান। অন্যদিকে কয়েকজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর আকস্মিক বা সহিংস মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার সতর্ক করে বলেছেন, এসব ঘটনার পেছনে গুপ্তচরবৃত্তি বা পরিকল্পিত অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। https://www.bd24live.com/bangla/791823 2026-04-17T11:40:58.000Z 2026-04-17T11:40:58.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FNeuclear_lab_original_1776426040.jpg","type":"image","length":null}যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অবশেষে সরাসরি মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি বলেছেন—খুব শিগগিরই এ রহস্যের ‘স্পষ্ট উত্তর’ পাওয়া যেতে পারে। বার্তাসংস্থা আনাদোলু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি কাকতালীয়, তবে আমরা খুব দ্রুতই জানতে পারব।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল খাতে যুক্ত ছিলেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক। এই ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এটি গুরুতর বিষয়... এদের মধ্যে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।” এদিকে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, পারমাণবিক প্রতিরোধ ও মহাকাশ আধিপত্যসংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যা দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে তিনি এখনো বিস্তারিত আলোচনা করেননি, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব বিজ্ঞানীর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টার—যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করে। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, নিখোঁজ অনেক বিজ্ঞানী হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও চাবির মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরেই রেখে যান। অন্যদিকে কয়েকজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর আকস্মিক বা সহিংস মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার সতর্ক করে বলেছেন, এসব ঘটনার পেছনে গুপ্তচরবৃত্তি বা পরিকল্পিত অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।{"title":"একের পর এক মৃত্যু ও নিখোঁজ মার্কিন পারমাণবিক বিজ্ঞানী","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791823","description":"যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অবশেষে সরাসরি মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি বলেছেন—খুব শিগগিরই এ রহস্যের ‘স্পষ্ট উত্তর’ পাওয়া যেতে পারে।\r\nবার্তাসংস্থা আনাদোলু-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি কাকতালীয়, তবে আমরা খুব দ্রুতই জানতে পারব।”\r\nপ্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল খাতে যুক্ত ছিলেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক।\r\nএই ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এটি গুরুতর বিষয়... এদের মধ্যে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”\r\nএদিকে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, পারমাণবিক প্রতিরোধ ও মহাকাশ আধিপত্যসংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যা দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।\r\nহোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে তিনি এখনো বিস্তারিত আলোচনা করেননি, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।\r\nউল্লেখযোগ্যভাবে, এসব বিজ্ঞানীর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টার—যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করে।\r\nপ্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, নিখোঁজ অনেক বিজ্ঞানী হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও চাবির মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরেই রেখে যান। অন্যদিকে কয়েকজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর আকস্মিক বা সহিংস মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।\r\nবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস সুইকার সতর্ক করে বলেছেন, এসব ঘটনার পেছনে গুপ্তচরবৃত্তি বা পরিকল্পিত অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791823","pubdate":"Fri, 17 Apr 2026 17:40:58 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":888,"height":494,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FNeuclear_lab_original_1776426040.jpg"},"value":null}}