পুরো ইসরায়েল দখলে নেবে তুরস্ক, টেলিগ্রাফের সংবাদ নিয়ে চাঞ্চল্য

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইসরায়েল আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন-এমন একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের পর তা নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই সংবাদটি মূলত এরদোয়ানের দুই বছর পুরোনো একটি বক্তব্যকে ভুল প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। 

টেলিগ্রাফ তাদের সংবাদে দাবি করেছিল, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান ইসরায়েলকে ‘রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ’ বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে প্রকৃতপক্ষে ওই উদ্ধৃতিগুলো ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তুরস্কের রিজে শহরে একে পার্টির এক স্থানীয় সভায় দেওয়া এরদোয়ানের পুরনো বক্তব্যের অংশ।

ডেইলি টেলিগ্রাফের সেই প্রতিবেদনে এরদোয়ানের বরাতে বলা হয়েছিল, ‘আমরা যেভাবে লিবিয়া এবং কারাবাখে প্রবেশ করেছি, ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমনটা করার পথে কোনো বাধা নেই।’ এই খবরটি প্রকাশের পরপরই ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট ও মারিভসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সোমবার তুরস্কের সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। 

তুর্কি সরকারের যোগাযোগ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, এই ধরনের মিথ্যা বর্ণনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। তুরস্ক সবসময়ই রক্তপাত বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পক্ষে কাজ করে আসছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুল ধরা পড়ার পর সোমবার সকালে টেলিগ্রাফ তাদের অনলাইন সংস্করণ থেকে সংবাদটি মুছে ফেলে। পত্রিকাটির একজন ঊর্ধ্বতন সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্বীকার করেন, সংবাদে ব্যবহৃত উদ্ধৃতিগুলো হয় অনেক পুরোনো অথবা পুরোপুরি বানোয়াট ছিল, তাই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এরদোয়ানের সেই ২০২৪ সালের বক্তব্যে তিনি মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নৃশংসতা ঠেকাতে তুরস্ককে শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিবিয়া ও কারাবাখের উদাহরণ টেনে সামরিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যা বর্তমানে নতুন করে ছড়ানো সংঘাতের সাথে সম্পর্কিত ছিল না।

গত এক সপ্তাহ ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এরদোয়ানের বিরুদ্ধে কুর্দি নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন এবং ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। এর জবাবে আঙ্কারার কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে ‘এই যুগের হিটলার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং গাজায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। 

এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই টেলিগ্রাফের মতো একটি বড় সংবাদমাধ্যমের এই ধরনের ভুল সংবাদ প্রকাশ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরও তিক্ততা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় দেশের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করে চলেছেন।

সূত্র: দ্য মিডল ইস্ট আই

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইসরায়েল আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন-এমন একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের পর তা নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ।  সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই সংবাদটি মূলত এরদোয়ানের দুই বছর পুরোনো একটি বক্তব্যকে ভুল প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল।  টেলিগ্রাফ তাদের সংবাদে দাবি করেছিল, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান ইসরায়েলকে ‘রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ’ বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে প্রকৃতপক্ষে ওই উদ্ধৃতিগুলো ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তুরস্কের রিজে শহরে একে পার্টির এক স্থানীয় সভায় দেওয়া এরদোয়ানের পুরনো বক্তব্যের অংশ। ডেইলি টেলিগ্রাফের সেই প্রতিবেদনে এরদোয়ানের বরাতে বলা হয়েছিল, ‘আমরা যেভাবে লিবিয়া এবং কারাবাখে প্রবেশ করেছি, ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমনটা করার পথে কোনো বাধা নেই।’ এই খবরটি প্রকাশের পরপরই ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট ও মারিভসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সোমবার তুরস্কের সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়।  তুর্কি সরকারের যোগাযোগ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, এই ধরনের মিথ্যা বর্ণনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। তুরস্ক সবসময়ই রক্তপাত বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পক্ষে কাজ করে আসছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুল ধরা পড়ার পর সোমবার সকালে টেলিগ্রাফ তাদের অনলাইন সংস্করণ থেকে সংবাদটি মুছে ফেলে। পত্রিকাটির একজন ঊর্ধ্বতন সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্বীকার করেন, সংবাদে ব্যবহৃত উদ্ধৃতিগুলো হয় অনেক পুরোনো অথবা পুরোপুরি বানোয়াট ছিল, তাই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরদোয়ানের সেই ২০২৪ সালের বক্তব্যে তিনি মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নৃশংসতা ঠেকাতে তুরস্ককে শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিবিয়া ও কারাবাখের উদাহরণ টেনে সামরিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যা বর্তমানে নতুন করে ছড়ানো সংঘাতের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। গত এক সপ্তাহ ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এরদোয়ানের বিরুদ্ধে কুর্দি নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন এবং ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। এর জবাবে আঙ্কারার কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে ‘এই যুগের হিটলার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং গাজায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।  এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই টেলিগ্রাফের মতো একটি বড় সংবাদমাধ্যমের এই ধরনের ভুল সংবাদ প্রকাশ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরও তিক্ততা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় দেশের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করে চলেছেন। সূত্র: দ্য মিডল ইস্ট আই https://www.bd24live.com/bangla/791530 2026-04-14T06:39:38.000Z 2026-04-14T06:39:38.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2025-10%2FErdogan-68_original_1759422807.jpg","type":"image","length":null}তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইসরায়েল আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন-এমন একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের পর তা নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ।  সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই সংবাদটি মূলত এরদোয়ানের দুই বছর পুরোনো একটি বক্তব্যকে ভুল প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল।  টেলিগ্রাফ তাদের সংবাদে দাবি করেছিল, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান ইসরায়েলকে ‘রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ’ বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে প্রকৃতপক্ষে ওই উদ্ধৃতিগুলো ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তুরস্কের রিজে শহরে একে পার্টির এক স্থানীয় সভায় দেওয়া এরদোয়ানের পুরনো বক্তব্যের অংশ। ডেইলি টেলিগ্রাফের সেই প্রতিবেদনে এরদোয়ানের বরাতে বলা হয়েছিল, ‘আমরা যেভাবে লিবিয়া এবং কারাবাখে প্রবেশ করেছি, ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমনটা করার পথে কোনো বাধা নেই।’ এই খবরটি প্রকাশের পরপরই ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট ও মারিভসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সোমবার তুরস্কের সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়।  তুর্কি সরকারের যোগাযোগ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, এই ধরনের মিথ্যা বর্ণনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। তুরস্ক সবসময়ই রক্তপাত বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পক্ষে কাজ করে আসছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুল ধরা পড়ার পর সোমবার সকালে টেলিগ্রাফ তাদের অনলাইন সংস্করণ থেকে সংবাদটি মুছে ফেলে। পত্রিকাটির একজন ঊর্ধ্বতন সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্বীকার করেন, সংবাদে ব্যবহৃত উদ্ধৃতিগুলো হয় অনেক পুরোনো অথবা পুরোপুরি বানোয়াট ছিল, তাই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরদোয়ানের সেই ২০২৪ সালের বক্তব্যে তিনি মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নৃশংসতা ঠেকাতে তুরস্ককে শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিবিয়া ও কারাবাখের উদাহরণ টেনে সামরিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যা বর্তমানে নতুন করে ছড়ানো সংঘাতের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। গত এক সপ্তাহ ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এরদোয়ানের বিরুদ্ধে কুর্দি নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন এবং ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। এর জবাবে আঙ্কারার কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে ‘এই যুগের হিটলার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং গাজায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।  এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই টেলিগ্রাফের মতো একটি বড় সংবাদমাধ্যমের এই ধরনের ভুল সংবাদ প্রকাশ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরও তিক্ততা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় দেশের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করে চলেছেন। সূত্র: দ্য মিডল ইস্ট আই{"title":"পুরো ইসরায়েল দখলে নেবে তুরস্ক, টেলিগ্রাফের সংবাদ নিয়ে চাঞ্চল্য","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791530","description":"তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইসরায়েল আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন-এমন একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের পর তা নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। \r\nসোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই সংবাদটি মূলত এরদোয়ানের দুই বছর পুরোনো একটি বক্তব্যকে ভুল প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। \r\nটেলিগ্রাফ তাদের সংবাদে দাবি করেছিল, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান ইসরায়েলকে ‘রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ’ বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে প্রকৃতপক্ষে ওই উদ্ধৃতিগুলো ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তুরস্কের রিজে শহরে একে পার্টির এক স্থানীয় সভায় দেওয়া এরদোয়ানের পুরনো বক্তব্যের অংশ।\r\nডেইলি টেলিগ্রাফের সেই প্রতিবেদনে এরদোয়ানের বরাতে বলা হয়েছিল, ‘আমরা যেভাবে লিবিয়া এবং কারাবাখে প্রবেশ করেছি, ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমনটা করার পথে কোনো বাধা নেই।’ এই খবরটি প্রকাশের পরপরই ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট ও মারিভসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সোমবার তুরস্কের সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। \r\n\r\nতুর্কি সরকারের যোগাযোগ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, এই ধরনের মিথ্যা বর্ণনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। তুরস্ক সবসময়ই রক্তপাত বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পক্ষে কাজ করে আসছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।\r\nভুল ধরা পড়ার পর সোমবার সকালে টেলিগ্রাফ তাদের অনলাইন সংস্করণ থেকে সংবাদটি মুছে ফেলে। পত্রিকাটির একজন ঊর্ধ্বতন সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্বীকার করেন, সংবাদে ব্যবহৃত উদ্ধৃতিগুলো হয় অনেক পুরোনো অথবা পুরোপুরি বানোয়াট ছিল, তাই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।\r\nএরদোয়ানের সেই ২০২৪ সালের বক্তব্যে তিনি মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নৃশংসতা ঠেকাতে তুরস্ককে শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিবিয়া ও কারাবাখের উদাহরণ টেনে সামরিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যা বর্তমানে নতুন করে ছড়ানো সংঘাতের সাথে সম্পর্কিত ছিল না।\r\nগত এক সপ্তাহ ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এরদোয়ানের বিরুদ্ধে কুর্দি নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন এবং ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। এর জবাবে আঙ্কারার কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে ‘এই যুগের হিটলার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং গাজায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। \r\nএই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই টেলিগ্রাফের মতো একটি বড় সংবাদমাধ্যমের এই ধরনের ভুল সংবাদ প্রকাশ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরও তিক্ততা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় দেশের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করে চলেছেন।\r\nসূত্র: দ্য মিডল ইস্ট আই","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791530","pubdate":"Tue, 14 Apr 2026 12:39:38 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":995,"height":560,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2025-10%2FErdogan-68_original_1759422807.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post