ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে।
সোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।
অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে।
সাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না।
এছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়। অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে। সাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না। এছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে। https://www.bd24live.com/bangla/791505 2026-04-13T16:40:52.000Z 2026-04-13T16:40:52.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2025-12%2Fgold_original_1766937401.jpg","type":"image","length":null}ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়। অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে। সাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না। এছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।{"title":"ফের স্বর্ণের দামে বড় পতন","link":"https://www.bd24live.com/bangla/791505","description":"ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে।\r\nসোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়।\r\nরয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।\r\nঅন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।\r\nবিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে।\r\nসাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না।\r\nএছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে।\r\nবিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/791505","pubdate":"Mon, 13 Apr 2026 22:40:52 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":444,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2025-12%2Fgold_original_1766937401.jpg"},"value":null}}