ফুটবল যেন আবারও মাথা নত করল এক মহাতারকার সামনে। বয়স যতই বাড়ুক, লিওনেল মেসির পায়ের জাদু যেন থামার নয়। আমেরিকান মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) রোমাঞ্চকর এক রাতে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন—মহাতারকারা যেন ফুরাবার নয়।
এফসি সিনসিনাতির মাঠ টিকিউএল স্টেডিয়ামে যেন গোলবৃষ্টির উৎসব বসেছিল। ৮ গোলের অবিশ্বাস্য থ্রিলারে ইন্টার মায়ামি ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে সিনসিনাতিকে। আর সেই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি—দুটি গোল, একটি অ্যাসিস্ট এবং পুরো ম্যাচজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার অনন্য উপস্থিতি।
মজার বিষয় হলো, ম্যাচের ৬৪ মিনিট পর্যন্তও ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। কিন্তু তারপরই শুরু হয় মেসির জাদুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প। যেন ক্লান্ত ম্যাচের শরীরে নতুন প্রাণ ঢেলে দেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ২৪তম মিনিটে গোলের খাতা খুলেন মেসি নিজেই। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল ক্লিয়ারেন্স এক টোকায় জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম যেন বুঝে যায়—আজকের রাতটা ‘লা পুলগা’র।
তবে সিনসিনাতিও সহজে হার মানেনি। একের পর এক আক্রমণে তারা ম্যাচে ফিরে আসে, এমনকি ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও শুধু কৌশলের খেলা নয়, এটি বিশ্বাস আর মুহূর্ত তৈরির শিল্পও। আর সেই শিল্পের সবচেয়ে বড় কারিগরদের একজন মেসি।
৫৫তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দুর্দান্ত কাটব্যাক শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ম্যাচের শেষভাগে মায়ামি যেন ঝড় তোলে। টানা তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা।
৮৯তম মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে ঢুকলে মুহূর্তের জন্য সবাই ভেবেছিল—আরেকটি হ্যাটট্রিক! কিন্তু পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য করা হয়। নাহলে এটি হতো মেসির ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক।
তবুও রাতটা পুরোপুরি মেসিময়। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ইতোমধ্যে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন দুই নম্বরে। আর পেশাদার ক্যারিয়ারে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে গেছে ৯১০-এ, সঙ্গে ৪১১টি অ্যাসিস্ট—যা সংখ্যার চেয়েও বড় এক কিংবদন্তির গল্প বলে।
ফুটবল যেন আবারও মাথা নত করল এক মহাতারকার সামনে। বয়স যতই বাড়ুক, লিওনেল মেসির পায়ের জাদু যেন থামার নয়। আমেরিকান মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) রোমাঞ্চকর এক রাতে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন—মহাতারকারা যেন ফুরাবার নয়। এফসি সিনসিনাতির মাঠ টিকিউএল স্টেডিয়ামে যেন গোলবৃষ্টির উৎসব বসেছিল। ৮ গোলের অবিশ্বাস্য থ্রিলারে ইন্টার মায়ামি ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে সিনসিনাতিকে। আর সেই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি—দুটি গোল, একটি অ্যাসিস্ট এবং পুরো ম্যাচজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার অনন্য উপস্থিতি। মজার বিষয় হলো, ম্যাচের ৬৪ মিনিট পর্যন্তও ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। কিন্তু তারপরই শুরু হয় মেসির জাদুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প। যেন ক্লান্ত ম্যাচের শরীরে নতুন প্রাণ ঢেলে দেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ২৪তম মিনিটে গোলের খাতা খুলেন মেসি নিজেই। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল ক্লিয়ারেন্স এক টোকায় জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম যেন বুঝে যায়—আজকের রাতটা ‘লা পুলগা’র। তবে সিনসিনাতিও সহজে হার মানেনি। একের পর এক আক্রমণে তারা ম্যাচে ফিরে আসে, এমনকি ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও শুধু কৌশলের খেলা নয়, এটি বিশ্বাস আর মুহূর্ত তৈরির শিল্পও। আর সেই শিল্পের সবচেয়ে বড় কারিগরদের একজন মেসি। ৫৫তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দুর্দান্ত কাটব্যাক শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ম্যাচের শেষভাগে মায়ামি যেন ঝড় তোলে। টানা তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। ৮৯তম মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে ঢুকলে মুহূর্তের জন্য সবাই ভেবেছিল—আরেকটি হ্যাটট্রিক! কিন্তু পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য করা হয়। নাহলে এটি হতো মেসির ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক। তবুও রাতটা পুরোপুরি মেসিময়। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ইতোমধ্যে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন দুই নম্বরে। আর পেশাদার ক্যারিয়ারে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে গেছে ৯১০-এ, সঙ্গে ৪১১টি অ্যাসিস্ট—যা সংখ্যার চেয়েও বড় এক কিংবদন্তির গল্প বলে। https://www.bd24live.com/bangla/794322 2026-05-14T05:52:54.000Z 2026-05-14T05:52:54.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2Fmessi_original_1778735761.jpg","type":"image","length":null}ফুটবল যেন আবারও মাথা নত করল এক মহাতারকার সামনে। বয়স যতই বাড়ুক, লিওনেল মেসির পায়ের জাদু যেন থামার নয়। আমেরিকান মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) রোমাঞ্চকর এক রাতে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন—মহাতারকারা যেন ফুরাবার নয়। এফসি সিনসিনাতির মাঠ টিকিউএল স্টেডিয়ামে যেন গোলবৃষ্টির উৎসব বসেছিল। ৮ গোলের অবিশ্বাস্য থ্রিলারে ইন্টার মায়ামি ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে সিনসিনাতিকে। আর সেই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি—দুটি গোল, একটি অ্যাসিস্ট এবং পুরো ম্যাচজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার অনন্য উপস্থিতি। মজার বিষয় হলো, ম্যাচের ৬৪ মিনিট পর্যন্তও ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। কিন্তু তারপরই শুরু হয় মেসির জাদুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প। যেন ক্লান্ত ম্যাচের শরীরে নতুন প্রাণ ঢেলে দেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ২৪তম মিনিটে গোলের খাতা খুলেন মেসি নিজেই। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল ক্লিয়ারেন্স এক টোকায় জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম যেন বুঝে যায়—আজকের রাতটা ‘লা পুলগা’র। তবে সিনসিনাতিও সহজে হার মানেনি। একের পর এক আক্রমণে তারা ম্যাচে ফিরে আসে, এমনকি ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও শুধু কৌশলের খেলা নয়, এটি বিশ্বাস আর মুহূর্ত তৈরির শিল্পও। আর সেই শিল্পের সবচেয়ে বড় কারিগরদের একজন মেসি। ৫৫তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দুর্দান্ত কাটব্যাক শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ম্যাচের শেষভাগে মায়ামি যেন ঝড় তোলে। টানা তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। ৮৯তম মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে ঢুকলে মুহূর্তের জন্য সবাই ভেবেছিল—আরেকটি হ্যাটট্রিক! কিন্তু পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য করা হয়। নাহলে এটি হতো মেসির ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক। তবুও রাতটা পুরোপুরি মেসিময়। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ইতোমধ্যে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন দুই নম্বরে। আর পেশাদার ক্যারিয়ারে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে গেছে ৯১০-এ, সঙ্গে ৪১১টি অ্যাসিস্ট—যা সংখ্যার চেয়েও বড় এক কিংবদন্তির গল্প বলে।{"title":"মেসির হ্যাটট্রিক জাদুতে সিনসিনাটিকে উড়িয়ে দিলো ইন্টার মিয়ামি","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794322","description":"ফুটবল যেন আবারও মাথা নত করল এক মহাতারকার সামনে। বয়স যতই বাড়ুক, লিওনেল মেসির পায়ের জাদু যেন থামার নয়। আমেরিকান মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) রোমাঞ্চকর এক রাতে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন—মহাতারকারা যেন ফুরাবার নয়।\r\nএফসি সিনসিনাতির মাঠ টিকিউএল স্টেডিয়ামে যেন গোলবৃষ্টির উৎসব বসেছিল। ৮ গোলের অবিশ্বাস্য থ্রিলারে ইন্টার মায়ামি ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে সিনসিনাতিকে। আর সেই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মেসি—দুটি গোল, একটি অ্যাসিস্ট এবং পুরো ম্যাচজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার অনন্য উপস্থিতি।\r\nমজার বিষয় হলো, ম্যাচের ৬৪ মিনিট পর্যন্তও ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। কিন্তু তারপরই শুরু হয় মেসির জাদুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প। যেন ক্লান্ত ম্যাচের শরীরে নতুন প্রাণ ঢেলে দেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।\r\nম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ২৪তম মিনিটে গোলের খাতা খুলেন মেসি নিজেই। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল ক্লিয়ারেন্স এক টোকায় জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম যেন বুঝে যায়—আজকের রাতটা ‘লা পুলগা’র।\r\nতবে সিনসিনাতিও সহজে হার মানেনি। একের পর এক আক্রমণে তারা ম্যাচে ফিরে আসে, এমনকি ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও শুধু কৌশলের খেলা নয়, এটি বিশ্বাস আর মুহূর্ত তৈরির শিল্পও। আর সেই শিল্পের সবচেয়ে বড় কারিগরদের একজন মেসি।\r\n৫৫তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দুর্দান্ত কাটব্যাক শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ম্যাচের শেষভাগে মায়ামি যেন ঝড় তোলে। টানা তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা।\r\n৮৯তম মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে ঢুকলে মুহূর্তের জন্য সবাই ভেবেছিল—আরেকটি হ্যাটট্রিক! কিন্তু পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য করা হয়। নাহলে এটি হতো মেসির ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক।\r\nতবুও রাতটা পুরোপুরি মেসিময়। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ইতোমধ্যে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন দুই নম্বরে। আর পেশাদার ক্যারিয়ারে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে গেছে ৯১০-এ, সঙ্গে ৪১১টি অ্যাসিস্ট—যা সংখ্যার চেয়েও বড় এক কিংবদন্তির গল্প বলে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794322","pubdate":"Thu, 14 May 2026 11:52:54 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2Fmessi_original_1778735761.jpg"},"value":null}}