লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ এম ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অবৈধভাবে পথরোধের দায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) লালমনিরহাটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ূন রেজা স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান রিপন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত এম ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রশাসক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে পাটগ্রাম পৌর এলাকার নিউ পূর্বপাড়ায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। ওয়াজেদ আলীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ রিফাত হাসান পাটগ্রাম থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়েছে , হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।
রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে এম হুমায়ুন রেজা স্বপন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ এম ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অবৈধভাবে পথরোধের দায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) লালমনিরহাটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ূন রেজা স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান রিপন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত এম ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রশাসক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে পাটগ্রাম পৌর এলাকার নিউ পূর্বপাড়ায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। ওয়াজেদ আলীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ রিফাত হাসান পাটগ্রাম থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়েছে , হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে এম হুমায়ুন রেজা স্বপন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। https://www.bd24live.com/bangla/794865 2026-05-19T11:34:17.000Z 2026-05-19T11:34:17.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295513_1779189491_original_1779190280.jpg","type":"image","length":null}লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ এম ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অবৈধভাবে পথরোধের দায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) লালমনিরহাটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ূন রেজা স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান রিপন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত এম ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রশাসক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে পাটগ্রাম পৌর এলাকার নিউ পূর্বপাড়ায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। ওয়াজেদ আলীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ রিফাত হাসান পাটগ্রাম থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়েছে , হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে এম হুমায়ুন রেজা স্বপন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।{"title":"লালমনিরহাটে হত্যা মামলার পলাতক আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794865","description":"লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ এম ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অবৈধভাবে পথরোধের দায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।\r\nমঙ্গলবার (১৯ মে) লালমনিরহাটের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন।\r\nরাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ূন রেজা স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান রিপন।\r\nআদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত এম ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রশাসক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে পাটগ্রাম পৌর এলাকার নিউ পূর্বপাড়ায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। ওয়াজেদ আলীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ রিফাত হাসান পাটগ্রাম থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।\r\nদীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়েছে , হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।\r\nরায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে এম হুমায়ুন রেজা স্বপন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794865","pubdate":"Tue, 19 May 2026 17:34:17 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295513_1779189491_original_1779190280.jpg"},"value":null}}