‘ইরান এখন বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হয়েছে’

লেবাননের একটি সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরান সংক্রান্ত মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান এখন একটি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী শক্তির ভারসাম্যকেও বদলে দিয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বলদর্পী নীতি অনুসরণ করে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করত। নিজেকে বিশ্বের “পুলিশ” হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হ্যাগসেথের মন্তব্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালীতে অপারেশন বন্ধের আহ্বান ইঙ্গিত দেয় যে, একক আধিপত্যের যুগ সমাপ্তির পথে।

ইউরোপ ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি

আল আহাদ রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ইউরোপের দেশগুলো মার্কিন ও অন্যান্য মিত্রদের পাশে দাঁড়ায়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘গেম থিওরি’ অনুযায়ী এটি হলো “Signaling Failure”, অর্থাৎ কোনো আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তার হুমকি বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে অপারেশন বন্ধ করা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “কৌশলগত বিচ্ছিন্নতা” স্বীকার করার সমতুল্য।

ইউরোপ স্পষ্ট করেছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ তাদের জন্য একটি লাল রেখা এবং ওয়াশিংটনের চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র একটি কেন্দ্রীয় সংঘাতে গুরুতর ক্ষতি ভোগ করেছে এবং কোনো কৌশলগত অর্জন ছাড়াই পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষা: শক্তিই গুরুত্বপূর্ণ

আজকের বিশ্বে প্রতিটি দেশকে তার সামরিক খরচ নিজেই বহন করতে হবে। পুরনো নিয়ম আর কার্যকর নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের শক্তি; দেশগুলোকে শক্তিশালী হতে হবে যাতে সীমারেখার বাইরে নিজেদের ভূমিকা রক্ষা করতে পারে।

ইরান বিশ্ব শক্তিতে পরিণত

আল আহাদ জানিয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ প্রায় ৪০ দিন পার হওয়ার পর শক্তি অর্জন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি সেই নীতি যা ইরানের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী বারবার উল্লেখ করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন।#

সূত্র- পার্সটুডে।

লেবাননের একটি সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরান সংক্রান্ত মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান এখন একটি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী শক্তির ভারসাম্যকেও বদলে দিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বলদর্পী নীতি অনুসরণ করে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করত। নিজেকে বিশ্বের “পুলিশ” হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হ্যাগসেথের মন্তব্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালীতে অপারেশন বন্ধের আহ্বান ইঙ্গিত দেয় যে, একক আধিপত্যের যুগ সমাপ্তির পথে। ইউরোপ ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি আল আহাদ রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ইউরোপের দেশগুলো মার্কিন ও অন্যান্য মিত্রদের পাশে দাঁড়ায়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘গেম থিওরি’ অনুযায়ী এটি হলো “Signaling Failure”, অর্থাৎ কোনো আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তার হুমকি বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে অপারেশন বন্ধ করা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “কৌশলগত বিচ্ছিন্নতা” স্বীকার করার সমতুল্য। ইউরোপ স্পষ্ট করেছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ তাদের জন্য একটি লাল রেখা এবং ওয়াশিংটনের চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র একটি কেন্দ্রীয় সংঘাতে গুরুতর ক্ষতি ভোগ করেছে এবং কোনো কৌশলগত অর্জন ছাড়াই পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা: শক্তিই গুরুত্বপূর্ণ আজকের বিশ্বে প্রতিটি দেশকে তার সামরিক খরচ নিজেই বহন করতে হবে। পুরনো নিয়ম আর কার্যকর নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের শক্তি; দেশগুলোকে শক্তিশালী হতে হবে যাতে সীমারেখার বাইরে নিজেদের ভূমিকা রক্ষা করতে পারে। ইরান বিশ্ব শক্তিতে পরিণত আল আহাদ জানিয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ প্রায় ৪০ দিন পার হওয়ার পর শক্তি অর্জন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি সেই নীতি যা ইরানের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী বারবার উল্লেখ করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন।# সূত্র- পার্সটুডে। https://www.bd24live.com/bangla/794306 2026-05-13T18:31:06.000Z 2026-05-13T18:31:06.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2FIran32453_original_1778697051.jpg","type":"image","length":null}লেবাননের একটি সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরান সংক্রান্ত মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান এখন একটি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী শক্তির ভারসাম্যকেও বদলে দিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বলদর্পী নীতি অনুসরণ করে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করত। নিজেকে বিশ্বের “পুলিশ” হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হ্যাগসেথের মন্তব্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালীতে অপারেশন বন্ধের আহ্বান ইঙ্গিত দেয় যে, একক আধিপত্যের যুগ সমাপ্তির পথে। ইউরোপ ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি আল আহাদ রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ইউরোপের দেশগুলো মার্কিন ও অন্যান্য মিত্রদের পাশে দাঁড়ায়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘গেম থিওরি’ অনুযায়ী এটি হলো “Signaling Failure”, অর্থাৎ কোনো আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তার হুমকি বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে অপারেশন বন্ধ করা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “কৌশলগত বিচ্ছিন্নতা” স্বীকার করার সমতুল্য। ইউরোপ স্পষ্ট করেছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ তাদের জন্য একটি লাল রেখা এবং ওয়াশিংটনের চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র একটি কেন্দ্রীয় সংঘাতে গুরুতর ক্ষতি ভোগ করেছে এবং কোনো কৌশলগত অর্জন ছাড়াই পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা: শক্তিই গুরুত্বপূর্ণ আজকের বিশ্বে প্রতিটি দেশকে তার সামরিক খরচ নিজেই বহন করতে হবে। পুরনো নিয়ম আর কার্যকর নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের শক্তি; দেশগুলোকে শক্তিশালী হতে হবে যাতে সীমারেখার বাইরে নিজেদের ভূমিকা রক্ষা করতে পারে। ইরান বিশ্ব শক্তিতে পরিণত আল আহাদ জানিয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ প্রায় ৪০ দিন পার হওয়ার পর শক্তি অর্জন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি সেই নীতি যা ইরানের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী বারবার উল্লেখ করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন।# সূত্র- পার্সটুডে।{"title":"‘ইরান এখন বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হয়েছে’","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794306","description":"লেবাননের একটি সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরান সংক্রান্ত মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান এখন একটি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী শক্তির ভারসাম্যকেও বদলে দিয়েছে।\r\nদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বলদর্পী নীতি অনুসরণ করে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করত। নিজেকে বিশ্বের “পুলিশ” হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হ্যাগসেথের মন্তব্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালীতে অপারেশন বন্ধের আহ্বান ইঙ্গিত দেয় যে, একক আধিপত্যের যুগ সমাপ্তির পথে।\r\nইউরোপ ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি\r\nআল আহাদ রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ইউরোপের দেশগুলো মার্কিন ও অন্যান্য মিত্রদের পাশে দাঁড়ায়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘গেম থিওরি’ অনুযায়ী এটি হলো “Signaling Failure”, অর্থাৎ কোনো আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তার হুমকি বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে অপারেশন বন্ধ করা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “কৌশলগত বিচ্ছিন্নতা” স্বীকার করার সমতুল্য।\r\nইউরোপ স্পষ্ট করেছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ তাদের জন্য একটি লাল রেখা এবং ওয়াশিংটনের চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র একটি কেন্দ্রীয় সংঘাতে গুরুতর ক্ষতি ভোগ করেছে এবং কোনো কৌশলগত অর্জন ছাড়াই পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।\r\nআন্তর্জাতিক শিক্ষা: শক্তিই গুরুত্বপূর্ণ\r\nআজকের বিশ্বে প্রতিটি দেশকে তার সামরিক খরচ নিজেই বহন করতে হবে। পুরনো নিয়ম আর কার্যকর নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের শক্তি; দেশগুলোকে শক্তিশালী হতে হবে যাতে সীমারেখার বাইরে নিজেদের ভূমিকা রক্ষা করতে পারে।\r\nইরান বিশ্ব শক্তিতে পরিণত\r\nআল আহাদ জানিয়েছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ প্রায় ৪০ দিন পার হওয়ার পর শক্তি অর্জন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি সেই নীতি যা ইরানের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী বারবার উল্লেখ করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন।#\r\nসূত্র- পার্সটুডে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794306","pubdate":"Thu, 14 May 2026 00:31:06 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":863,"height":471,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2FIran32453_original_1778697051.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post