সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ নেতা আর নেই

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। পরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি ৫৮ হাজার ৪৫৫ ভোট এবং ২০০১ সালে ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করেন।

সর্বশেষ তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও গুরুতর অসুস্থতার কারণে পরে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়।

তার মৃত্যুতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। পরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি ৫৮ হাজার ৪৫৫ ভোট এবং ২০০১ সালে ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করেন। সর্বশেষ তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও গুরুতর অসুস্থতার কারণে পরে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়। তার মৃত্যুতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। https://www.bd24live.com/bangla/794506 2026-05-16T03:56:39.000Z 2026-05-16T03:56:39.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2FMijanur343_original_1778903774.jpg","type":"image","length":null}মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। পরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি ৫৮ হাজার ৪৫৫ ভোট এবং ২০০১ সালে ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করেন। সর্বশেষ তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও গুরুতর অসুস্থতার কারণে পরে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়। তার মৃত্যুতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।{"title":"সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ নেতা আর নেই","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794506","description":"মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।\r\nতার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।\r\nমিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।\r\n১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।\r\nছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। পরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।\r\nতিনি বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি ৫৮ হাজার ৪৫৫ ভোট এবং ২০০১ সালে ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করেন।\r\nসর্বশেষ তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও গুরুতর অসুস্থতার কারণে পরে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়।\r\nতার মৃত্যুতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794506","pubdate":"Sat, 16 May 2026 09:56:39 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":888,"height":558,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2FMijanur343_original_1778903774.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post