নড়াইল জেলার অন্যান্য এলাকার চাষিরা তেমন কোনো সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও নড়াইল সদরের পংকবিলা গ্রামের চিত্র ভিন্ন। শত বছরের লিচু চাষের ইতিহাস রয়েছে এই গ্রামে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার কৃষকরা লিচু চাষ করে আসছেন। চলতি মৌসুমেও ভাল ফলন ও দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরা।
বিষমুক্ত ও অর্গানিক লিচু উৎপাদনে সুনাম অর্জন করেছে পংকবিলা। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখানকার লিচু যাচ্ছে দেশের অন্তত ২০টি জেলায়। দীর্ঘদিন ধরেই লিচু গ্রাম হিসেবে পরিচিত পংকবিলা। প্রতি মৌসুমে এই গ্রাম থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার লিচু কেনাবেচা হয় বলে জানা গেছে। এখানকার লিচু চাষে সাফল্য দেখে আশপাশের গ্রামের কৃষকরাও লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
নড়াইল শহরের অপর প্রান্তে চিত্রা নদীর তীরঘেষা পংকবিলা গ্রামটি শহর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের দূরে। চিত্রা নদীর কোল ঘেঁষে থাকা এই গ্রামের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে লিচু চাষের সাথে জড়িত। লিচুর মৌসুমে এলেই ব্যবসায়ী ও চাষিদের আনাগোনায় সরগরম হয়ে ওঠে এলাকাটি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেকে গাছের মগডালে বসে লিচু সংগ্রহ করছে, কেউ বা আবার সেই লিচু বাছাই করছে, অনেকে ব্যস্ত সেই লিচু গণনা করে প্যাকিং করতে। এভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত দশ বছরের তুলনায় এবার ভাল ফলন হয়েছে বলে জানান চাষি ও ব্যবসায়ীরা। শতভাগ অর্গানিক (বিষমুক্ত) এসকল লিচু নড়াইল ছাড়াও যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে খুচরা ১০০টি লিচুর দাম ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে পাইকাররা প্রতি ১ হাজার লিচু কিনছেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে।
কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, “পংকবিলা গ্রামটি অনেক আগেই লিচু গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার সফলতা দেখে আশপাশের গ্রামগুলোতেও লিচু চাষ শুরু হয়েছে। আগামীতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।”
জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পংকবিলায় বাণিজ্যিকভাবে ৪২ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। এখানে সাধারণত দেশি বিভিন্ন জাতের পাশাপাশি বোম্বাই, মোজাফফর, চায়না থ্রি জাতের লিচু চাষ হয়। চলতি মৌসুমে এ সকল বাগান থেকে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নড়াইল জেলার অন্যান্য এলাকার চাষিরা তেমন কোনো সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও নড়াইল সদরের পংকবিলা গ্রামের চিত্র ভিন্ন। শত বছরের লিচু চাষের ইতিহাস রয়েছে এই গ্রামে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার কৃষকরা লিচু চাষ করে আসছেন। চলতি মৌসুমেও ভাল ফলন ও দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরা। বিষমুক্ত ও অর্গানিক লিচু উৎপাদনে সুনাম অর্জন করেছে পংকবিলা। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখানকার লিচু যাচ্ছে দেশের অন্তত ২০টি জেলায়। দীর্ঘদিন ধরেই লিচু গ্রাম হিসেবে পরিচিত পংকবিলা। প্রতি মৌসুমে এই গ্রাম থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার লিচু কেনাবেচা হয় বলে জানা গেছে। এখানকার লিচু চাষে সাফল্য দেখে আশপাশের গ্রামের কৃষকরাও লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। নড়াইল শহরের অপর প্রান্তে চিত্রা নদীর তীরঘেষা পংকবিলা গ্রামটি শহর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের দূরে। চিত্রা নদীর কোল ঘেঁষে থাকা এই গ্রামের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে লিচু চাষের সাথে জড়িত। লিচুর মৌসুমে এলেই ব্যবসায়ী ও চাষিদের আনাগোনায় সরগরম হয়ে ওঠে এলাকাটি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেকে গাছের মগডালে বসে লিচু সংগ্রহ করছে, কেউ বা আবার সেই লিচু বাছাই করছে, অনেকে ব্যস্ত সেই লিচু গণনা করে প্যাকিং করতে। এভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত দশ বছরের তুলনায় এবার ভাল ফলন হয়েছে বলে জানান চাষি ও ব্যবসায়ীরা। শতভাগ অর্গানিক (বিষমুক্ত) এসকল লিচু নড়াইল ছাড়াও যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে খুচরা ১০০টি লিচুর দাম ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে পাইকাররা প্রতি ১ হাজার লিচু কিনছেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, “পংকবিলা গ্রামটি অনেক আগেই লিচু গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার সফলতা দেখে আশপাশের গ্রামগুলোতেও লিচু চাষ শুরু হয়েছে। আগামীতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।” জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পংকবিলায় বাণিজ্যিকভাবে ৪২ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। এখানে সাধারণত দেশি বিভিন্ন জাতের পাশাপাশি বোম্বাই, মোজাফফর, চায়না থ্রি জাতের লিচু চাষ হয়। চলতি মৌসুমে এ সকল বাগান থেকে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। https://www.bd24live.com/bangla/794600 2026-05-17T04:28:28.000Z 2026-05-17T04:28:28.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295359_1778991250_original_1778991869.jpg","type":"image","length":null}নড়াইল জেলার অন্যান্য এলাকার চাষিরা তেমন কোনো সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও নড়াইল সদরের পংকবিলা গ্রামের চিত্র ভিন্ন। শত বছরের লিচু চাষের ইতিহাস রয়েছে এই গ্রামে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার কৃষকরা লিচু চাষ করে আসছেন। চলতি মৌসুমেও ভাল ফলন ও দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরা। বিষমুক্ত ও অর্গানিক লিচু উৎপাদনে সুনাম অর্জন করেছে পংকবিলা। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখানকার লিচু যাচ্ছে দেশের অন্তত ২০টি জেলায়। দীর্ঘদিন ধরেই লিচু গ্রাম হিসেবে পরিচিত পংকবিলা। প্রতি মৌসুমে এই গ্রাম থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার লিচু কেনাবেচা হয় বলে জানা গেছে। এখানকার লিচু চাষে সাফল্য দেখে আশপাশের গ্রামের কৃষকরাও লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। নড়াইল শহরের অপর প্রান্তে চিত্রা নদীর তীরঘেষা পংকবিলা গ্রামটি শহর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের দূরে। চিত্রা নদীর কোল ঘেঁষে থাকা এই গ্রামের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে লিচু চাষের সাথে জড়িত। লিচুর মৌসুমে এলেই ব্যবসায়ী ও চাষিদের আনাগোনায় সরগরম হয়ে ওঠে এলাকাটি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেকে গাছের মগডালে বসে লিচু সংগ্রহ করছে, কেউ বা আবার সেই লিচু বাছাই করছে, অনেকে ব্যস্ত সেই লিচু গণনা করে প্যাকিং করতে। এভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত দশ বছরের তুলনায় এবার ভাল ফলন হয়েছে বলে জানান চাষি ও ব্যবসায়ীরা। শতভাগ অর্গানিক (বিষমুক্ত) এসকল লিচু নড়াইল ছাড়াও যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে খুচরা ১০০টি লিচুর দাম ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে পাইকাররা প্রতি ১ হাজার লিচু কিনছেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, “পংকবিলা গ্রামটি অনেক আগেই লিচু গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার সফলতা দেখে আশপাশের গ্রামগুলোতেও লিচু চাষ শুরু হয়েছে। আগামীতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।” জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পংকবিলায় বাণিজ্যিকভাবে ৪২ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। এখানে সাধারণত দেশি বিভিন্ন জাতের পাশাপাশি বোম্বাই, মোজাফফর, চায়না থ্রি জাতের লিচু চাষ হয়। চলতি মৌসুমে এ সকল বাগান থেকে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।{"title":"লিচুর গ্রাম পংকবিলা, ব্যস্ত সময় চাষিদের","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794600","description":"নড়াইল জেলার অন্যান্য এলাকার চাষিরা তেমন কোনো সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও নড়াইল সদরের পংকবিলা গ্রামের চিত্র ভিন্ন। শত বছরের লিচু চাষের ইতিহাস রয়েছে এই গ্রামে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার কৃষকরা লিচু চাষ করে আসছেন। চলতি মৌসুমেও ভাল ফলন ও দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরা।\r\nবিষমুক্ত ও অর্গানিক লিচু উৎপাদনে সুনাম অর্জন করেছে পংকবিলা। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখানকার লিচু যাচ্ছে দেশের অন্তত ২০টি জেলায়। দীর্ঘদিন ধরেই লিচু গ্রাম হিসেবে পরিচিত পংকবিলা। প্রতি মৌসুমে এই গ্রাম থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার লিচু কেনাবেচা হয় বলে জানা গেছে। এখানকার লিচু চাষে সাফল্য দেখে আশপাশের গ্রামের কৃষকরাও লিচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।\r\nনড়াইল শহরের অপর প্রান্তে চিত্রা নদীর তীরঘেষা পংকবিলা গ্রামটি শহর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের দূরে। চিত্রা নদীর কোল ঘেঁষে থাকা এই গ্রামের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে লিচু চাষের সাথে জড়িত। লিচুর মৌসুমে এলেই ব্যবসায়ী ও চাষিদের আনাগোনায় সরগরম হয়ে ওঠে এলাকাটি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেকে গাছের মগডালে বসে লিচু সংগ্রহ করছে, কেউ বা আবার সেই লিচু বাছাই করছে, অনেকে ব্যস্ত সেই লিচু গণনা করে প্যাকিং করতে। এভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।\r\nআবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত দশ বছরের তুলনায় এবার ভাল ফলন হয়েছে বলে জানান চাষি ও ব্যবসায়ীরা। শতভাগ অর্গানিক (বিষমুক্ত) এসকল লিচু নড়াইল ছাড়াও যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে খুচরা ১০০টি লিচুর দাম ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে পাইকাররা প্রতি ১ হাজার লিচু কিনছেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে।\r\nকৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, “পংকবিলা গ্রামটি অনেক আগেই লিচু গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার সফলতা দেখে আশপাশের গ্রামগুলোতেও লিচু চাষ শুরু হয়েছে। আগামীতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।”\r\nজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পংকবিলায় বাণিজ্যিকভাবে ৪২ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। এখানে সাধারণত দেশি বিভিন্ন জাতের পাশাপাশি বোম্বাই, মোজাফফর, চায়না থ্রি জাতের লিচু চাষ হয়। চলতি মৌসুমে এ সকল বাগান থেকে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794600","pubdate":"Sun, 17 May 2026 10:28:28 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295359_1778991250_original_1778991869.jpg"},"value":null}}