পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত্রি যাপন সাকলায়েনের!

চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী অনুমোদনের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের পর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবকাণ্ডে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। ওই মামলার সূত্র ধরেই পরীমনির সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ শুরু হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো নথিতে বলা হয়, পরবর্তীতে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সাকলায়েন নিয়মিত পরীমনির বাসায় যাতায়াত করতেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে প্রাপ্ত কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), মোবাইল বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে তদন্তে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট সাকলায়েনের স্ত্রী বাসায় অনুপস্থিত থাকার সময় পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসভবনে যান এবং পরদিন রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। সিসিটিভি ফুটেজেও এ যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৩ জুন তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। সম্প্রতি কমিশনের মতামত পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সাকলায়েনের আচরণ সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার কাছে সর্বশেষ কোনো তথ্য নেই। আর মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী অনুমোদনের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের পর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবকাণ্ডে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। ওই মামলার সূত্র ধরেই পরীমনির সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ শুরু হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো নথিতে বলা হয়, পরবর্তীতে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সাকলায়েন নিয়মিত পরীমনির বাসায় যাতায়াত করতেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে প্রাপ্ত কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), মোবাইল বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে তদন্তে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট সাকলায়েনের স্ত্রী বাসায় অনুপস্থিত থাকার সময় পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসভবনে যান এবং পরদিন রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। সিসিটিভি ফুটেজেও এ যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৩ জুন তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। সম্প্রতি কমিশনের মতামত পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সাকলায়েনের আচরণ সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার কাছে সর্বশেষ কোনো তথ্য নেই। আর মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। https://www.bd24live.com/bangla/797343 2026-06-19T03:06:48.000Z 2026-06-19T03:06:48.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-06%2FUntitled_original_1781791554.jpg","type":"image","length":null}চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী অনুমোদনের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের পর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবকাণ্ডে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। ওই মামলার সূত্র ধরেই পরীমনির সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ শুরু হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো নথিতে বলা হয়, পরবর্তীতে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সাকলায়েন নিয়মিত পরীমনির বাসায় যাতায়াত করতেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে প্রাপ্ত কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), মোবাইল বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে তদন্তে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট সাকলায়েনের স্ত্রী বাসায় অনুপস্থিত থাকার সময় পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসভবনে যান এবং পরদিন রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। সিসিটিভি ফুটেজেও এ যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৩ জুন তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। সম্প্রতি কমিশনের মতামত পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সাকলায়েনের আচরণ সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার কাছে সর্বশেষ কোনো তথ্য নেই। আর মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।{"title":"পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত্রি যাপন সাকলায়েনের!","link":"https://www.bd24live.com/bangla/797343","description":"চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।\r\nসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী অনুমোদনের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের পর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।\r\n২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবকাণ্ডে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। ওই মামলার সূত্র ধরেই পরীমনির সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ শুরু হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।\r\nস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো নথিতে বলা হয়, পরবর্তীতে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সাকলায়েন নিয়মিত পরীমনির বাসায় যাতায়াত করতেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে প্রাপ্ত কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), মোবাইল বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে তদন্তে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।\r\nনথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট সাকলায়েনের স্ত্রী বাসায় অনুপস্থিত থাকার সময় পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসভবনে যান এবং পরদিন রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। সিসিটিভি ফুটেজেও এ যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।\r\nঅভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৩ জুন তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। সম্প্রতি কমিশনের মতামত পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।\r\nস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সাকলায়েনের আচরণ সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।\r\nএ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার কাছে সর্বশেষ কোনো তথ্য নেই। আর মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/797343","pubdate":"Fri, 19 Jun 2026 09:06:48 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":421,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-06%2FUntitled_original_1781791554.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post