ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে নকল ও ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী এবং অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অনিয়মের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের বিপরীতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ও মানহীন প্রসাধনী সামগ্রীর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির সময় প্রতিষ্ঠানটিতে বিপণনের জন্য মজুত রাখা ১২০ প্যাকেট আতশবাজির পটকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে কিছু নকল এবং কিছু মেয়াদ ও মানসংক্রান্ত বিধি বিধান লঙ্ঘন করে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়।
অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বেদেনা আক্তার, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাম প্রসাদ পাল, থানা পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান।
তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তার স্বার্থে নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর পণ্যের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ পণ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে নকল ও ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী এবং অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অনিয়মের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের বিপরীতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ও মানহীন প্রসাধনী সামগ্রীর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির সময় প্রতিষ্ঠানটিতে বিপণনের জন্য মজুত রাখা ১২০ প্যাকেট আতশবাজির পটকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে কিছু নকল এবং কিছু মেয়াদ ও মানসংক্রান্ত বিধি বিধান লঙ্ঘন করে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়। অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বেদেনা আক্তার, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাম প্রসাদ পাল, থানা পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তার স্বার্থে নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর পণ্যের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ পণ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। https://www.bd24live.com/bangla/797026 2026-06-15T11:05:29.000Z 2026-06-15T11:05:29.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296727_1781520967_original_1781521529.jpg","type":"image","length":null}ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে নকল ও ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী এবং অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অনিয়মের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের বিপরীতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ও মানহীন প্রসাধনী সামগ্রীর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির সময় প্রতিষ্ঠানটিতে বিপণনের জন্য মজুত রাখা ১২০ প্যাকেট আতশবাজির পটকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে কিছু নকল এবং কিছু মেয়াদ ও মানসংক্রান্ত বিধি বিধান লঙ্ঘন করে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়। অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বেদেনা আক্তার, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাম প্রসাদ পাল, থানা পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তার স্বার্থে নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর পণ্যের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ পণ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।{"title":"ঈশ্বরগঞ্জে নকল প্রসাধনী ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা","link":"https://www.bd24live.com/bangla/797026","description":"ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে নকল ও ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী এবং অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অনিয়মের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।\r\nসোমবার বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৌর শহরের উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের বিপরীতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ও মানহীন প্রসাধনী সামগ্রীর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়।\r\nউপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির সময় প্রতিষ্ঠানটিতে বিপণনের জন্য মজুত রাখা ১২০ প্যাকেট আতশবাজির পটকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়।\r\nএসব পণ্যের মধ্যে কিছু নকল এবং কিছু মেয়াদ ও মানসংক্রান্ত বিধি বিধান লঙ্ঘন করে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়।\r\nঅভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বেদেনা আক্তার, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাম প্রসাদ পাল, থানা পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান।\r\nতিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তার স্বার্থে নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর পণ্যের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ পণ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/797026","pubdate":"Mon, 15 Jun 2026 17:05:29 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296727_1781520967_original_1781521529.jpg"},"value":null}}