ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা, ডিবি হেফাজতে

কুমিল্লায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুমিল্লা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় ওই ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী জিসানকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।

ওই মামলায় জিসান ছাড়াও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) এবং সজিব হাসানকে (২১) আসামি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে।

শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ মে জিসান তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান শুক্রবার বিয়ে করবে বলে সম্মতি দেন। বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসান বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের জিডি করান।

এদিকে জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে জিসানকে প্রধান আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ ওই ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে সে নিজে আত্মগোপনে ছিল। ওই নারী তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে ভ্রূণ নষ্টসহ বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ।

শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। ডিবি হেফাজতে সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুমিল্লা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় ওই ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী জিসানকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।ওই মামলায় জিসান ছাড়াও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) এবং সজিব হাসানকে (২১) আসামি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে।শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ মে জিসান তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান শুক্রবার বিয়ে করবে বলে সম্মতি দেন। বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসান বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের জিডি করান।এদিকে জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে জিসানকে প্রধান আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন।কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ ওই ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে সে নিজে আত্মগোপনে ছিল। ওই নারী তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে ভ্রূণ নষ্টসহ বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ।শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। ডিবি হেফাজতে সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। https://www.bd24live.com/bangla/796858 2026-06-13T12:22:57.000Z 2026-06-13T12:22:57.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296650_1781351407_original_1781353377.jpg","type":"image","length":null}কুমিল্লায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুমিল্লা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় ওই ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী জিসানকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।ওই মামলায় জিসান ছাড়াও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) এবং সজিব হাসানকে (২১) আসামি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে।শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ মে জিসান তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান শুক্রবার বিয়ে করবে বলে সম্মতি দেন। বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসান বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের জিডি করান।এদিকে জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে জিসানকে প্রধান আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন।কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ ওই ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে সে নিজে আত্মগোপনে ছিল। ওই নারী তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে ভ্রূণ নষ্টসহ বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ।শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। ডিবি হেফাজতে সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।{"title":"ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা, ডিবি হেফাজতে","link":"https://www.bd24live.com/bangla/796858","description":"কুমিল্লায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুমিল্লা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় ওই ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী জিসানকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।ওই মামলায় জিসান ছাড়াও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) এবং সজিব হাসানকে (২১) আসামি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে।শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ মে জিসান তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান শুক্রবার বিয়ে করবে বলে সম্মতি দেন। বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসান বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের জিডি করান।এদিকে জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে জিসানকে প্রধান আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন।কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ ওই ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে সে নিজে আত্মগোপনে ছিল। ওই নারী তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে ভ্রূণ নষ্টসহ বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ।শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। ডিবি হেফাজতে সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/796858","pubdate":"Sat, 13 Jun 2026 18:22:57 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296650_1781351407_original_1781353377.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post