নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে দোকান ঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতর ঘর নিমার্ণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এ ঘটনায় ১০ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন চত্তরে উপস্থিত বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের জানান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে কিশোরগঞ্জ বাজারকে পরিচ্ছন্ন বাজার করার দাবী প্রশাসনের কাছে করেছি। আমরা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের দাবীও করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও যারা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করেছে তাদেরকেও উচ্ছেদ করতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। এ বিষয়ে এখন কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে দোকান ঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতর ঘর নিমার্ণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ঘটনায় ১০ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়। এদিকে উপজেলা প্রশাসন চত্তরে উপস্থিত বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের জানান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে কিশোরগঞ্জ বাজারকে পরিচ্ছন্ন বাজার করার দাবী প্রশাসনের কাছে করেছি। আমরা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের দাবীও করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও যারা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করেছে তাদেরকেও উচ্ছেদ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। এ বিষয়ে এখন কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়। https://www.bd24live.com/bangla/797148 2026-06-16T15:08:34.000Z 2026-06-16T15:08:34.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296793_1781619014_original_1781622229.jpg","type":"image","length":null}নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে দোকান ঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতর ঘর নিমার্ণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ঘটনায় ১০ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়। এদিকে উপজেলা প্রশাসন চত্তরে উপস্থিত বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের জানান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে কিশোরগঞ্জ বাজারকে পরিচ্ছন্ন বাজার করার দাবী প্রশাসনের কাছে করেছি। আমরা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের দাবীও করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও যারা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করেছে তাদেরকেও উচ্ছেদ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। এ বিষয়ে এখন কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।{"title":"ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখলে প্রশাসনের তদন্ত","link":"https://www.bd24live.com/bangla/797148","description":"নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে দোকান ঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতর ঘর নিমার্ণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন।\r\nইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।\r\nএ ঘটনায় ১০ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।\r\nনীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়।\r\nএদিকে উপজেলা প্রশাসন চত্তরে উপস্থিত বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের জানান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে কিশোরগঞ্জ বাজারকে পরিচ্ছন্ন বাজার করার দাবী প্রশাসনের কাছে করেছি। আমরা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের দাবীও করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও যারা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করেছে তাদেরকেও উচ্ছেদ করতে হবে।\r\nঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। এ বিষয়ে এখন কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/797148","pubdate":"Tue, 16 Jun 2026 21:08:34 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_296793_1781619014_original_1781622229.jpg"},"value":null}}