আলু-পেঁয়াজ রপ্তানি বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত জানালেন শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গে আলু রপ্তানিতে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে আলু, পেঁয়াজসহ সব কৃষিপণ্য ও পশুপণ্য দেশের যেকোনও রাজ্যে বাধাহীনভাবে পাঠানো যাবে। এই সিদ্ধান্তকে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন রাজ্য সরকার আগের প্রশাসনের জারি করা আন্তঃরাজ্য আলু রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু আলু নয়— পেঁয়াজ, খাদ্যশস্য, তেলবীজ, ফল, সবজি ও পশুপণ্যসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেশের যেকোনও অংশে বাধাহীনভাবে পরিবহন করা যাবে। আলুসহ কোনো কৃষিপণ্য অন্য রাজ্যে পাঠানোর ক্ষেত্রে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

রাজ্য সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের নীতির কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। নতুন সরকার সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়েছে। আন্তঃরাজ্য সীমান্তে কৃষি বা পশুপণ্য পরিবহনে কেউ বাধা দিতে পারবে না এবং হয়রানিও সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমানের ২৫টি আসনের মধ্যে ২১টিতে জয় পেলেও, ২০২৬ সালে একই অঞ্চলের ২১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মাত্র চারটি আসনে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন না হলে জীবিকা সংকটে পড়বে— এমন আশঙ্কাও ছিল তাদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শুভজিৎ সাহা বলেন, আগের সরকারের নির্দেশনার কারণে কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা আলু মজুত করতে ভয় পেতেন। ২০২৪ সালের একটি নির্দেশনার কারণে কৃষকরা ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অনেক কৃষক আত্মহত্যাও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে কোল্ড স্টোরেজে আলু মজুত না করায় বিপুল পরিমাণ আলু মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন আলুর মজুত রয়েছে, যা এখন অন্য রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে শুক্রবার (১৫ মে) কলকাতার খাদ্য ভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে আলু রপ্তানিতে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে আলু, পেঁয়াজসহ সব কৃষিপণ্য ও পশুপণ্য দেশের যেকোনও রাজ্যে বাধাহীনভাবে পাঠানো যাবে। এই সিদ্ধান্তকে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন রাজ্য সরকার আগের প্রশাসনের জারি করা আন্তঃরাজ্য আলু রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু আলু নয়— পেঁয়াজ, খাদ্যশস্য, তেলবীজ, ফল, সবজি ও পশুপণ্যসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেশের যেকোনও অংশে বাধাহীনভাবে পরিবহন করা যাবে। আলুসহ কোনো কৃষিপণ্য অন্য রাজ্যে পাঠানোর ক্ষেত্রে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। রাজ্য সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের নীতির কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। নতুন সরকার সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়েছে। আন্তঃরাজ্য সীমান্তে কৃষি বা পশুপণ্য পরিবহনে কেউ বাধা দিতে পারবে না এবং হয়রানিও সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমানের ২৫টি আসনের মধ্যে ২১টিতে জয় পেলেও, ২০২৬ সালে একই অঞ্চলের ২১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মাত্র চারটি আসনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন না হলে জীবিকা সংকটে পড়বে— এমন আশঙ্কাও ছিল তাদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শুভজিৎ সাহা বলেন, আগের সরকারের নির্দেশনার কারণে কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা আলু মজুত করতে ভয় পেতেন। ২০২৪ সালের একটি নির্দেশনার কারণে কৃষকরা ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অনেক কৃষক আত্মহত্যাও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে কোল্ড স্টোরেজে আলু মজুত না করায় বিপুল পরিমাণ আলু মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন আলুর মজুত রয়েছে, যা এখন অন্য রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে শুক্রবার (১৫ মে) কলকাতার খাদ্য ভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। https://www.bd24live.com/bangla/794461 2026-05-15T11:45:45.000Z 2026-05-15T11:45:45.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2Fshuvedo234_original_1778845524.jpg","type":"image","length":null}পশ্চিমবঙ্গে আলু রপ্তানিতে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে আলু, পেঁয়াজসহ সব কৃষিপণ্য ও পশুপণ্য দেশের যেকোনও রাজ্যে বাধাহীনভাবে পাঠানো যাবে। এই সিদ্ধান্তকে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন রাজ্য সরকার আগের প্রশাসনের জারি করা আন্তঃরাজ্য আলু রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু আলু নয়— পেঁয়াজ, খাদ্যশস্য, তেলবীজ, ফল, সবজি ও পশুপণ্যসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেশের যেকোনও অংশে বাধাহীনভাবে পরিবহন করা যাবে। আলুসহ কোনো কৃষিপণ্য অন্য রাজ্যে পাঠানোর ক্ষেত্রে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। রাজ্য সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের নীতির কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। নতুন সরকার সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়েছে। আন্তঃরাজ্য সীমান্তে কৃষি বা পশুপণ্য পরিবহনে কেউ বাধা দিতে পারবে না এবং হয়রানিও সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমানের ২৫টি আসনের মধ্যে ২১টিতে জয় পেলেও, ২০২৬ সালে একই অঞ্চলের ২১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মাত্র চারটি আসনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন না হলে জীবিকা সংকটে পড়বে— এমন আশঙ্কাও ছিল তাদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শুভজিৎ সাহা বলেন, আগের সরকারের নির্দেশনার কারণে কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা আলু মজুত করতে ভয় পেতেন। ২০২৪ সালের একটি নির্দেশনার কারণে কৃষকরা ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অনেক কৃষক আত্মহত্যাও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে কোল্ড স্টোরেজে আলু মজুত না করায় বিপুল পরিমাণ আলু মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন আলুর মজুত রয়েছে, যা এখন অন্য রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে শুক্রবার (১৫ মে) কলকাতার খাদ্য ভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে।{"title":"আলু-পেঁয়াজ রপ্তানি বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত জানালেন শুভেন্দু","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794461","description":"পশ্চিমবঙ্গে আলু রপ্তানিতে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে আলু, পেঁয়াজসহ সব কৃষিপণ্য ও পশুপণ্য দেশের যেকোনও রাজ্যে বাধাহীনভাবে পাঠানো যাবে। এই সিদ্ধান্তকে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।\r\nভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন রাজ্য সরকার আগের প্রশাসনের জারি করা আন্তঃরাজ্য আলু রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে।\r\nসরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু আলু নয়— পেঁয়াজ, খাদ্যশস্য, তেলবীজ, ফল, সবজি ও পশুপণ্যসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেশের যেকোনও অংশে বাধাহীনভাবে পরিবহন করা যাবে। আলুসহ কোনো কৃষিপণ্য অন্য রাজ্যে পাঠানোর ক্ষেত্রে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।\r\nরাজ্য সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের নীতির কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। নতুন সরকার সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়েছে। আন্তঃরাজ্য সীমান্তে কৃষি বা পশুপণ্য পরিবহনে কেউ বাধা দিতে পারবে না এবং হয়রানিও সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।\r\nতিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।\r\n২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমানের ২৫টি আসনের মধ্যে ২১টিতে জয় পেলেও, ২০২৬ সালে একই অঞ্চলের ২১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মাত্র চারটি আসনে।\r\nবিশেষজ্ঞদের মতে, আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন না হলে জীবিকা সংকটে পড়বে— এমন আশঙ্কাও ছিল তাদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।\r\nওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শুভজিৎ সাহা বলেন, আগের সরকারের নির্দেশনার কারণে কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা আলু মজুত করতে ভয় পেতেন। ২০২৪ সালের একটি নির্দেশনার কারণে কৃষকরা ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অনেক কৃষক আত্মহত্যাও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।\r\nতিনি আরও জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে কোল্ড স্টোরেজে আলু মজুত না করায় বিপুল পরিমাণ আলু মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন আলুর মজুত রয়েছে, যা এখন অন্য রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।\r\nপরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে শুক্রবার (১৫ মে) কলকাতার খাদ্য ভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794461","pubdate":"Fri, 15 May 2026 17:45:45 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":888,"height":537,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-05%2Fshuvedo234_original_1778845524.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post