রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক মনিরা খাতুন (৩০) জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মারা গেছেন।
মনিরা খাতুন রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে রাজবাড়ী নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন।
শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতালের সামনে নিরাপদ খাদ্য অফিসে ছুটি হওয়ায় পতাকা নামাতে যান মনিরা। পতাকার পাইপটি অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাই ভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে যায়। পাইপটি স্টিলের হওয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মনিরার সারা শরীরে আগুন ধরে যায়। তখন অফিসে কেউ না থাকায় উদ্ধার করতে দেরি হওয়ায় তাঁর সারা শরীর আগুনে ঝলসে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারী বিষয়টি দেখে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে ওই দিনই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে তিনি মারা যান।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে মনিরা খাতুন চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে সেখানে এসডিইউ (স্টেপ-ডাউন-ইউনিটি)-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় মনিরা খাতুন মারা যান। তাঁর মরদেহ রাজবাড়ীতে আনার প্রস্তুতি চলছে।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক মনিরা খাতুন (৩০) জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মারা গেছেন।মনিরা খাতুন রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে রাজবাড়ী নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন।শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতালের সামনে নিরাপদ খাদ্য অফিসে ছুটি হওয়ায় পতাকা নামাতে যান মনিরা। পতাকার পাইপটি অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাই ভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে যায়। পাইপটি স্টিলের হওয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মনিরার সারা শরীরে আগুন ধরে যায়। তখন অফিসে কেউ না থাকায় উদ্ধার করতে দেরি হওয়ায় তাঁর সারা শরীর আগুনে ঝলসে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারী বিষয়টি দেখে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে ওই দিনই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে তিনি মারা যান।রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে মনিরা খাতুন চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে সেখানে এসডিইউ (স্টেপ-ডাউন-ইউনিটি)-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় মনিরা খাতুন মারা যান। তাঁর মরদেহ রাজবাড়ীতে আনার প্রস্তুতি চলছে। https://www.bd24live.com/bangla/794456 2026-05-15T11:32:20.000Z 2026-05-15T11:32:20.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295276_1778842455_original_1778842688.jpg","type":"image","length":null}রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক মনিরা খাতুন (৩০) জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মারা গেছেন।মনিরা খাতুন রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে রাজবাড়ী নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন।শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতালের সামনে নিরাপদ খাদ্য অফিসে ছুটি হওয়ায় পতাকা নামাতে যান মনিরা। পতাকার পাইপটি অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাই ভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে যায়। পাইপটি স্টিলের হওয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মনিরার সারা শরীরে আগুন ধরে যায়। তখন অফিসে কেউ না থাকায় উদ্ধার করতে দেরি হওয়ায় তাঁর সারা শরীর আগুনে ঝলসে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারী বিষয়টি দেখে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে ওই দিনই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে তিনি মারা যান।রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে মনিরা খাতুন চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে সেখানে এসডিইউ (স্টেপ-ডাউন-ইউনিটি)-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় মনিরা খাতুন মারা যান। তাঁর মরদেহ রাজবাড়ীতে আনার প্রস্তুতি চলছে।{"title":"জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু","link":"https://www.bd24live.com/bangla/794456","description":"রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক মনিরা খাতুন (৩০) জাতীয় পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মারা গেছেন।মনিরা খাতুন রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে রাজবাড়ী নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন।শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতালের সামনে নিরাপদ খাদ্য অফিসে ছুটি হওয়ায় পতাকা নামাতে যান মনিরা। পতাকার পাইপটি অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাই ভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে যায়। পাইপটি স্টিলের হওয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মনিরার সারা শরীরে আগুন ধরে যায়। তখন অফিসে কেউ না থাকায় উদ্ধার করতে দেরি হওয়ায় তাঁর সারা শরীর আগুনে ঝলসে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারী বিষয়টি দেখে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে ওই দিনই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে তিনি মারা যান।রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আসিফুর রহমান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে মনিরা খাতুন চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে সেখানে এসডিইউ (স্টেপ-ডাউন-ইউনিটি)-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় মনিরা খাতুন মারা যান। তাঁর মরদেহ রাজবাড়ীতে আনার প্রস্তুতি চলছে।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/794456","pubdate":"Fri, 15 May 2026 17:32:20 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":450,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_295276_1778842455_original_1778842688.jpg"},"value":null}}