সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রধান দেশে আঘাত হানল শক্তিশালী ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরের পূর্ব-দক্ষিণপূর্ব দিকে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং পালু থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো ঝুঁকি ছিল না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি হাসপাতালের রোগীদের ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে কিছু ভবনের আংশিক ছাদ ধসে পড়া, দেয়াল ফেটে যাওয়া এবং ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, হতাহত কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

পালুর একটি চার তারকা হোটেলের ব্যবস্থাপক এফেন্দি নাতালি জানান, ভূমিকম্পের পর হোটেলের সব অতিথিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেক অতিথি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সবাই নিরাপদ আছেন।’ হোটেলটির সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পালুর বাসিন্দা নুরহাইদার জানান, তিনি রান্নাঘরে রান্না করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ প্রবল কম্পন অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল পুরো ঘর কেঁপে উঠছে এবং ছাদ যেকোনো সময় ধসে পড়বে। আমি দ্রুত শিশুদের নিয়ে বের হয়ে যাই।’

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত নিয়মিত ঘটে থাকে এই অঞ্চলে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পালু শহরে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। ওই ভূমিকম্পের পর সুনামি এবং ‘লিকুইফ্যাকশন’ নামের বিরল ভূতাত্ত্বিক ঘটনার ফলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বহু এলাকা মাটির নিচে তলিয়ে যায়।

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরের পূর্ব-দক্ষিণপূর্ব দিকে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং পালু থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো ঝুঁকি ছিল না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি হাসপাতালের রোগীদের ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে কিছু ভবনের আংশিক ছাদ ধসে পড়া, দেয়াল ফেটে যাওয়া এবং ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, হতাহত কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। পালুর একটি চার তারকা হোটেলের ব্যবস্থাপক এফেন্দি নাতালি জানান, ভূমিকম্পের পর হোটেলের সব অতিথিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেক অতিথি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সবাই নিরাপদ আছেন।’ হোটেলটির সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। পালুর বাসিন্দা নুরহাইদার জানান, তিনি রান্নাঘরে রান্না করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ প্রবল কম্পন অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল পুরো ঘর কেঁপে উঠছে এবং ছাদ যেকোনো সময় ধসে পড়বে। আমি দ্রুত শিশুদের নিয়ে বের হয়ে যাই।’ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত নিয়মিত ঘটে থাকে এই অঞ্চলে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পালু শহরে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। ওই ভূমিকম্পের পর সুনামি এবং ‘লিকুইফ্যাকশন’ নামের বিরল ভূতাত্ত্বিক ঘটনার ফলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বহু এলাকা মাটির নিচে তলিয়ে যায়। https://www.bd24live.com/bangla/797128 2026-06-16T12:35:24.000Z 2026-06-16T12:35:24.000Z {} {"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-06%2FUntitled_original_1781613295.jpg","type":"image","length":null}ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরের পূর্ব-দক্ষিণপূর্ব দিকে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং পালু থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো ঝুঁকি ছিল না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি হাসপাতালের রোগীদের ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে কিছু ভবনের আংশিক ছাদ ধসে পড়া, দেয়াল ফেটে যাওয়া এবং ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, হতাহত কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। পালুর একটি চার তারকা হোটেলের ব্যবস্থাপক এফেন্দি নাতালি জানান, ভূমিকম্পের পর হোটেলের সব অতিথিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেক অতিথি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সবাই নিরাপদ আছেন।’ হোটেলটির সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। পালুর বাসিন্দা নুরহাইদার জানান, তিনি রান্নাঘরে রান্না করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ প্রবল কম্পন অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল পুরো ঘর কেঁপে উঠছে এবং ছাদ যেকোনো সময় ধসে পড়বে। আমি দ্রুত শিশুদের নিয়ে বের হয়ে যাই।’ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত নিয়মিত ঘটে থাকে এই অঞ্চলে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পালু শহরে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। ওই ভূমিকম্পের পর সুনামি এবং ‘লিকুইফ্যাকশন’ নামের বিরল ভূতাত্ত্বিক ঘটনার ফলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বহু এলাকা মাটির নিচে তলিয়ে যায়।{"title":"সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রধান দেশে আঘাত হানল শক্তিশালী ভূমিকম্প","link":"https://www.bd24live.com/bangla/797128","description":"ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।\r\nমার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরের পূর্ব-দক্ষিণপূর্ব দিকে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং পালু থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে।\r\nকর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো ঝুঁকি ছিল না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি হাসপাতালের রোগীদের ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।\r\nক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে কিছু ভবনের আংশিক ছাদ ধসে পড়া, দেয়াল ফেটে যাওয়া এবং ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, হতাহত কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।\r\nপালুর একটি চার তারকা হোটেলের ব্যবস্থাপক এফেন্দি নাতালি জানান, ভূমিকম্পের পর হোটেলের সব অতিথিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেক অতিথি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সবাই নিরাপদ আছেন।’ হোটেলটির সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।\r\nপালুর বাসিন্দা নুরহাইদার জানান, তিনি রান্নাঘরে রান্না করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ প্রবল কম্পন অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল পুরো ঘর কেঁপে উঠছে এবং ছাদ যেকোনো সময় ধসে পড়বে। আমি দ্রুত শিশুদের নিয়ে বের হয়ে যাই।’\r\nপ্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত নিয়মিত ঘটে থাকে এই অঞ্চলে।\r\nউল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পালু শহরে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে। ওই ভূমিকম্পের পর সুনামি এবং ‘লিকুইফ্যাকশন’ নামের বিরল ভূতাত্ত্বিক ঘটনার ফলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বহু এলাকা মাটির নিচে তলিয়ে যায়।","guid":"https://www.bd24live.com/bangla/797128","pubdate":"Tue, 16 Jun 2026 18:35:24 +0600","media:content":{"props":{"medium":"image","width":800,"height":466,"url":"https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-06%2FUntitled_original_1781613295.jpg"},"value":null}}

Post a Comment

plizz share your thoughts and experience

Previous Post Next Post